রাজনৈতিক কার্যক্রমের বদলে লোক দেখানো জনপ্রিয়তা অর্জনেই সরকার বেশি ব্যস্ত— এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের মতে, পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা যথার্থ নয়। তবে, নতুন হিসেবে সংসদের নানা বিষয়ে এখনও জানার বাকি বলে মনে করেন তিনি।
ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন জিতে সেই মাসের ১৭ তারিখে শপথ নেয় বিএনপি সরকার। শপথ নেয় সংসদে বিরোধী জোটের সদস্যরাও। পার্লামেন্টে এই মুহূর্তে ৬টি আসন এনসিপির। পাশাপাশি বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের পদেও রয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মূলত, গণভোট, জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ ও জ্বালানি তেলসহ নানা ইস্যুতে সংসদের প্রথম অধিবেশন ছিল বেশ ঘটনাবহুল। সরকার ও বিরোধীদলের যেমন ছিল মতপার্থক্য, নানা ইস্যুতে আবার দেখা গেছে ঐক্য।
প্রথমবারের মতো সংসদে নিজ দল ও নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করছে এনসিপি। পাশাপাশি ৩ মাস শেষে সরকার আর নিজেদের নিয়ে কী মূল্যায়ন দলটির? এই ইস্যুতে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘এই সরকার গঠনের পর থেকেই গণতন্ত্র ধীরে ধীরে খারাপের দিকে এগোচ্ছে। রাজনৈতিক হওয়ার চেয়ে সরকার বেশি পপুলিস্ট কাজ দেখাতে ব্যস্ত।’
রাজনৈতিক ইস্যুগুলো না এড়িয়ে আরও গঠনগত শাসনকার্যে ধাবিত হতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, সরকার বিভিন্ন কার্ড বিতরণ করছে। তবে, সেই ক্ষেত্রে অর্থ কোথা থেকে আসছে কিংবা প্রকল্পগুলোর সার্বিক পরিকল্পনা তথা কাঠামো তারা উপস্থাপন করতে পারেনি।
এসময় পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা সেই ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এ নেতা।
পাশাপাশি নিজেদের নিয়ে মূল্যায়নে আখতার হোসেন বলেন, নতুন হিসেবে সংসদে এখনো জানার জায়গা রয়েছে। যদি সেগুলো প্রসারিত হয়, তাহলে সংসদে কথা বলার জায়গায় আরও পরিণত হতে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করে তিনি।
এরইমধ্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলনে। এই সংকট কাটিয়ে জনগণের কল্যাণে একত্রে কাজ করার আহ্বান এনসিপি নেতাদের।




