দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৭ ভাগ শিক্ষার দায়িত্ব পালন করে থাকেন এমপি ও ভুক্ত শিক্ষক সমাজ। তারা সরকারি স্কেলে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকদের মত বেসিকের শতভাগ বেতন সহ অন্যান্য আর্থিক-সুবিধা পেয়ে থাকলেও পদোন্নতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের কোন ব্যবস্থা নেই। যদিও এমপিও ভুক্ত কলেজে প্রভাষক থেকে সহকারি অধ্যাপক পদোন্নতির বিধান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ন্যূনতম ১৫ থেকে ২০-২৫ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সিনিয়র শিক্ষকদের জেষ্টতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতি প্রদানের মাধ্যমে শূন্য পদে দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানদের পদোন্নতি দিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে পদয়ন করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন শিক্ষক সমাজের পক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ভারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিয়দ।পরিষদের নেতৃবৃন্দ মনে করেন, বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকার পদোন্নতি প্রদানের ব্যবস্থা করে এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার সুস্ঠ পরিবেশ বজায় রাখা সহ সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা ফিরিয়ে এনে এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের জন্যএক যুগান্তকারী উদাহরণ সৃষ্টি করবেন।কেননা পদোন্নতি শিক্ষকদের একটি ন্যায্য অধিকার এটি তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। । ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপটে সারা বাংলাদেশের এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৩ হাজারেরও অধিক প্রতিষ্ঠান প্রধানের পথ শূন্য রয়েছে। এ সকল প্রতিষ্ঠানে এমপিও নীতিমালা ও সরকারি বিধি-বিধানের আলোকে জেষ্ঠতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সিনিয়র শিক্ষকগণ ভারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্বভার পরিচালনা করছেন। তাঁরা পাঠদান কার্যক্রম সহ প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করে চলেছেন । বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এমপিও নীতিমালা পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের প্রচেষ্টা চালালেও ইন্টেরিয়র গভ্রর্ণমেন্টের সময়ে এমপিও নীতিমালার আলোকে জারিকৃত সার্কুলার বাতিল করায় বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের বিরোধিতা সহ কিছু শিক্ষক মামলা করার কারায মামলা জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এ মামলা জটিলতা এড়িয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে জ্যেষ্ঠতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান সহ সিনিয়র শিক্ষকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদোন্নতি দিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ বা পদায়নের দাবি জানিয়েছেন সচেতন শিক্ষক সমাজসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ভারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিষদ ও বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ।



