কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস ক্যানালপাড়া এলাকায় এক যুবকের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইমরান হোসেন ও রাজন নামের দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ রাব্বি খান।
থানায় দাখিল করা লিখিত অভিযোগে মোহাম্মদ রাব্বি খান উল্লেখ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা তার গতিরোধ করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তার ব্যবহৃত একটি দামী রেডমি স্মার্টফোন এবং পকেটে থাকা নগদ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। আকস্মিক এ ঘটনায় তিনি হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনের আশ্রয় গ্রহণ করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি মো. ইমরান হোসেন কুষ্টিয়া শহরের হরিশংকরপুর পানির ট্যাংকি সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি মো. শফির ছেলে। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, ইমরানের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তিনি মাদকাসক্ত এবং এলাকায় ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত বলে স্থানীয়দের মধ্যে অভিযোগ প্রচলিত রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী রাব্বি খান ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে এ ধরনের ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশ জানায়, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত এজাহারনামীয় আসামি ইমরান ও রাজনসহ অন্যান্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে শহরে ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, অভিযোগে উল্লিখিত বিষয়গুলো ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং আদালতে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তরা আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।




