জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এক দফার ঘোষণা আসবে: বগুড়ায় জামায়াত নেতা

 ​সরকারের উদ্দেশ্যে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হয়নি। এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিবর্তে এক কোটি মানুষের হাতে চাঁদাবাজির চাবি দেওয়া হয়েছে।’
​শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বগুড়ার বিমানমোড়ে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তিস্তা ব্যারেজ বাস্তবায়ন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চের অংশ হিসেবে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।
​সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় ঘোষণা আসবে এক দফার। দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বেড়েছে। সরকারি চাকরির ভাইভা মার্কস ডাবল করা হয়েছে দলীয় লোকদের নিয়োগের জন্য। যে চাকরির জন্য লড়াই হয়েছে, প্রয়োজনে তা আবার করা হবে। মানুষ সার পায় না, গ্যাস পায় না, বিদ্যুৎ থাকে না—এর জন্যই আজ লংমার্চ।’
​গাজীপুর, টাংগাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা হয়ে রংপুর জেলা স্কুলে গিয়ে এ লংমার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকা-রংপুর অভিমুখে এই লংমার্চে মোট ৭টি জনসভা ও ৫টি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভাগুলোতে সরকারের নানা ব্যর্থতা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরও সরকার স্বৈরাচারী আচরণ করছে। গণভোটের রায় যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করতেই হবে।
​দুর্নীতি, দখলদারি, চাঁদাবাজি বন্ধ, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি সংকট সমাধান ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবি না মানলে ১ দফা আন্দোলনের কঠোর ঘোষণা দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। তাঁরা বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য প্রয়োজনে ফ্যাসিবাদ পতনের মতো আবারও রাজপথে নেমে আসবে জনগণ।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন