
আজব খবর! বগুড়া জেলার পুলিশ,প্রশাসনের প্রকাশ্য দুর্নীতির খবর। খুন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, দখলদারিত্ব্, পণ্যের মত মানুষ বিক্রয় ও মানবাধিকার লঙ্ঘন পুলিশ, প্রশাসনের মতে নাকি কোন অপরাধ নয়? প্রশ্ন তাহলে কিসে অপরাধ হয়? বগুড়া জেলার ধুনট থানার অধীন চিকাশী ইউনিয়নের সোনার গাঁ দক্ষিণ পাড়া গ্রাম মৃত শাজাহান আলীর বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে।
২০০১ সালের ১৪ই এপ্রিলে শাজাহান আলী কারেন্ট শোক্ট মারা যায়। (ইন্নালিল্লাহি ও ইন্নাইলাইহি রাজিউন) তিনি তার পরিবারে স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে মারা যায়। তার মৃত্যুর পর তার কিছু অসৎ প্রতিবেশী তথা{(১) শাহ আলীপিতা মৃত্যু ইচাহাকআলী,সোনারগাঁ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হযরত আলী সানোয়ার, পিতা মৃত্যু ইচাহাক আলী, জহুরুল ইসলাম পিতা মৃত্যু আফজাল হোসেনসহ আরো অনেকে) তার পরিবারে নানা ধরনের অঘটন দুর্ঘটনা ঘটাতে থাকে। যা আইয়ামে জাহেলিয়া যুগের ঘটনাবলীকে হার মানায়। এই সমস্ত দুর্ঘটনা তার মেঝো ছেলে আনোয়ার হোসেনের উপর প্রভাব পড়ে বেশি। বড় ছেলে আনছার আলীর অকাল মৃত্যু, কোন কারণ ছাড়াই তার স্ত্রীর অকস্মাৎ মৃত্যু, তার মেঝো ছেলে আনোয়ার হোসেন সব হাড়িয়ে নিঃশ্ব। আসলে তার বড় ছেলের অকাল মৃত্যু হয়নি, অকাল মৃত্যু ঘটানো হয়েছে তাকে শাহ আলীর ক্লিনিকে নেওয়া হয় এবং তার পেট কেটে ইন্টারনি করানো হয় তার অবস্থা যখন প্রায় মৃত্যুর কাছাকাছি ক্লিনিকে মানুষ মারা গেলে খুনি শাহ আলীর ক্লিনিকের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে বলে, তখন তাকে ক্লিনিক থেকে বাহির করে দেওয়া হয়, ফলে ক্লিনিক থেকে বাড়িতে আনার পরে তার মৃত্যু হয়। তার স্ত্রীকে ঠিক একইভাবে মেরে ফেলা হয়। আনোয়ার এই সব খুনের বিচার চেয়েছে বলে তার জীবনকে বরবাদ করে দেওয়া হয়। তার জীবনকে মৃত্যু প্রায় অবস্থা করে দেওয়া হয়। এরা নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে বিন্দু মাত্র কোন্ঠা বোধ করেনা। যেখানে দুর্বল জায়গা পায়, সেখানেই এরা জেকে বসে।আনোয়ারের বড় মেয়েকে স্ট্যাম্প বিক্রি এব ছোট মেয়েকে এতিম খানায় ভর্তি এদেরই কর্মকান্ডযা যা সবি ধুনট থানার ঘাতক ওসি আতিকুল ইসলামের জানা। এই সব ঘটনা জানার পরেও কোন ব্যবস্থা নেই নি। বগুড়া জেলা প্রশাসনের হৃদয়ে বিন্দু মাত্র দাগ কাটেনি। ঘটনাবলী হৃদয় বিদারক ঘটনা হলেও ধুনট থানার ইউ. এন. ও আরিফ উল্লাহ নিজামীর নিকট হাস্যকর ঘটনা। যা মানুষত্ব বোধ হীনতার নামান্তর। একজনের জ্বলে আর এক জনের মজা লাগে। কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ প্রবাদ বাক্যের মত। আনোয়ার হোসেন তার মা’য়ের অকাস্মাৎ মৃত্যুর রহস্যঃ উদঘাটনের জন্য এবং তার জীবন ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার বিচার চেয়ে ধুনট থানায় ২৫টি এবং দুর্নীতিযুক্ত ইউ. এন. ও অফিস বরাবরে ৪টি অভিযোগ দিলে একটা অভিযোগেরও প্রতিকার পাইনি। বরং অভিযোগের প্রতিকার চাইতে গেলে পুলিশ, প্রশাসন থেকে নানাভাবে হেনস্তা করা হয়। সন্ত্রাসীদের কর্মকান্ড এদের দ্বারাই বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। বর্তমানে আনোয়ার হোসেন এবং তার ছোট মেয়ে পুলিশ, প্রশাসন ও প্রতিবেশী ঐ সমস্ত অসৎ লোকের দ্বারা প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হচ্ছে এমনকি বড় ভাই ও মা’য়ের মত আনোয়ার হোসেন এবং তার ছোট মেয়ে মার্জিয়া খাতুনকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা নিচ্ছে। আনোয়ার হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় দীনাতিপাত করছে। কি সুন্দর স্বাধীন বাংলাদেশ। যে দেশ ৭১ সালে ও জুলাই ২৪ এ দু দুবার স্বাধীনতা লাভ করেছে, আজ সে দেশের মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নাই। ধিক্কার পুলিশ, প্রশাসন ধিক্কার সমাজের ঘাতক নরপুশুদের দল।।


