বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের মধ্যে ভিন্নধর্মী ভ্রমণ অভিজ্ঞতার আগ্রহ বাড়তে থাকায় মালয়েশিয়া তাদের পর্যটন খাতকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলছে।
বিশেষ করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে মেডিকেল ট্যুরিজম, শিক্ষা পর্যটন এবং ইকো-ট্যুরিজমে। এসব খাতকে সামনে রেখে বাংলাদেশের সঙ্গে দেশটির বিজনেস-টু-বিজনেস আগামি দিনে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে বলে মনে করছেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) কেলে নগরীর হোটেল র্যাডিসন ব্লুতে এই উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমনই আশাবাদের কথা তুলে ধরেন ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা।
ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬ ক্যাম্পেইনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের বন্দরনগরী ও পর্যটনের রানী হিসেবে খ্যাত ‘চট্টগ্রাম’শহরে প্রচারণা শুরু উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এই সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল রিজাল আবদ রহমান, মালয়েশিয়ার ট্যুরিজম বোর্ডের আন্তর্জাতিক প্রমোশন বিভাগের উপপরিচালক সোলেহউদ্দিন আহমদ ও জ্যেষ্ঠ পর্যটন কর্মকর্তা মো. রুজাইনি বিন মোহাম্মদ রাদজি।
অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিল, এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস, বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর ও এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিরা তাদের অভিমত তুলে ধরেন।
প্রসঙ্গ: ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যটক আগমন ছিল ৪ কোটি ২১ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯২ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৯২, যা আগের বছরের তুলনায় ৮২ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।




