
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে আরসা ও আরকান আর্মির মধ্যে গুলি বিনিময় এবং ২টি মর্টারশেলের প্রকট আওয়াজ কেঁপে উঠেছে এপার। যাতে ভয়ে অনেক কাঠুরিয়া পালিয়ে এসেছে নিরাপদে। যাদের কয়েকজন এই তথ্য দেন এ প্রতিবেদককে। ঘটনার সময় ভারী অস্ত্রের এসব ফায়ারের ঘটনা ঘটলেও হতাহতের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার ( ২৪ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
কাঠুরিয়া সৈয়দ কাশেম ও রোহিঙ্গা করিম বক্সু পার্বত্যনিউজের এ প্রতিবেদককে বলেন, তারা প্রতিদিন ন্যায় বাঁশ কাটতে যায় সীমান্তের ৩৯ পিলার সংলগ্ন বাংলাদেশ অংশে। বাঁশ কাটার শেষের দিকে হঠাৎ গোলাগুলির আওয়াজ শুনে তারা অপেক্ষা করে। পরে শুনতে পান পরপর ২টি মর্টার শেলের আওয়াজ। এর পর প্রচণ্ড গোলাগুলি। অন্তত ২০/২৫ রাউন্ড গুলির এ আওয়াজ শুনে তারা দ্রুত পালিয়ে আসে।
তারা আরো বলেন, ঘটনাস্থল ঘুমধুমের তুইঙ্গাঝিরি বিওপি এলাকার সীমান্তের জিরো লাইনে বা মিয়ানমার অংশে।
অপর একদল গ্রামবাসী জানান, খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহলদল এ সীমান্তে টহল দিতে দেখা গেছে মঙ্গলবার দুপর থেকে।
তারা আরো বলেন, গত ২দিন ধরে এ সীমান্তে মিয়ানমার বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি বনাম আরসা ও আরএসও এর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা চলছিল। হয়তো তারই পরিণতি গোলাগুলির এ ঘটনা।
এ ঘটনায় হতাহতের কোনো সংবাদ বা তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। অপরাপর সূত্র থেকেও হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি।




