বাবা-মা হারা তিন শিশুকে নিয়ে বৃদ্ধ দাদা দাদি মানবতার জীবন কাটাচ্ছে

বাবা মা হারা এতিম তিন অবুঝ শিশুদের দেখার কেউ নাই। বৃদ্ধ দাদা দাদী রয়েছে তাদের। যেখানে বৃদ্ধ দম্পতির রোজগারের সামর্থ্য নেই । সেখানে এই তিন অবুঝ শিশুর দ্বায়িত্ব নেয়াটাই তাদের জন্য কঠিন।
এক বছর আগে ছোট মেয়ে জন্ম নেয়ার সময় তাদের মা মারা যায়। আর মা মারা যাওয়ার নয় মাস পরেই বাবা ষ্টোক করে মারা যায়।
অতি দুঃখ কষ্ট করে তিন টা অবুঝ শিশু লালন পালন করে আসছিল ৭২ বছরের বৃদ্ধ দম্পতি দাদা দাদী। এখন তিন অবুঝ শিশু  নিয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটছে তাদের। দুই বৃদ্ধ দাদা দাদি তাঁরা নিজেরাই চলতে পারে না তার উপরে তিন এতিম অবুঝ শিশু। এমন ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতন কান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামের বদিউজ্জামালের ছেলে আমিনুল ইসলামের সংসারে। ভূমিষ্ঠ ছোট মেয়ে আমিনা খাতুনের চেহারাটাও দেখে যেতে পারেননি মা ফাতেমা খাতুন । সুমাইয়া ও পায়নি গর্ভধারিণী মায়ের আদর-স্নেহ।
স্ত্রীর মৃত্যুতে  দিশেহারা হয়ে পড়েন আমিনুল ইসলাম। বুকে আগলে রাখেন তিন সন্তানকে।
কিন্তু তিন সন্তানের চিন্তায় আর স্ত্রী হারানোর শোকে ৯ মাস পরে স্ট্রোক করে মারা যান বাবা   আমিনুলও।
এমন মৃত্যু মানতে পারছেন না স্বজনরা। অবুঝ তিন শিশু সোহাগ রানা , সুমাইয়া ও আমিনা বাবা-মাকে হারিয়ে ভেঙে পড়ে। বর্তমান তারা অনাদর-অবহেলায় বৃদ্ধ দাদা দাদি  বদিউজ্জামাল ও সামিলার সংসারে খেয়ে, না খেয়ে বড় হচ্ছে।
প্রতিবেশী জানান, এরা আমোদের প্রতিবেশী। বৃদ্ধ দম্পতি তাদেরী চলার সামর্ত্য নেই তার উপর তিনটি অবুঝ শিশু বাচ্চা নিয়ে খুবই কষ্টে দিন পার করছেন তারা। সবাই মিলে কিছু চাল তুলে দেয়া হয়েীছল তাই এত দিন চললো। আমাদেরও সামর্থ্য নেই এদর চালানোর । তাই সরকার বা দেশ ও দেশের বাহিরে দানশীল ব্যক্তি যদি একটু সহযোগিতা করতো তাহলে তিন অবুঝ শিশু একটু ভালো ভাবে চলতে পারতো।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

ভুরুঙ্গামারীতে বিক্ষুব্ধ কৃষকের বিরুদ্ধে গুদাম ভেঙে ১৯০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে চাহিদামতো সার না পাওয়ায় বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা একটি বিসিআইসি