
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় জামেরতলা বিলের খাস কালেকশনের প্রকাশ্য ডাক পুনরায় আহ্বান করে সরকারি রাজস্ব আদায় প্রায় দ্বিগুণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার। গত ৭ অক্টোবর উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রকাশ্য নিলামে ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ডাক উঠলেও তা কাঙ্ক্ষিত না হওয়ায় নিলাম স্থগিত করেন তিনি। পরদিন ৮ অক্টোবর বিলের পাড়ে সরেজমিনে পুনরায় প্রকাশ্য ডাকের আয়োজন করা হলে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ডাক পান সাইদুর রহমান শাকিল তিনি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামেরতলা বিলের খাস কালেকশন নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশ্য নিলামের আয়োজন করা হয় গত ৭ অক্টোবর উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত নিলামে মিজানুর রহমান ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা দর দেন। তবে দর কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না পৌঁছানোয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকিনা আক্তার নিলাম স্থগিত করেন।
এরপর ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিলের পাড়ে সরাসরি প্রকাশ্য ডাকের আয়োজন করা হয়। এতে প্রতিযোগিতামূলক দরদামের মাধ্যমে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা সর্বোচ্চ দর ওঠে। শেষ পর্যন্ত এ দর পান সাইদুর রহমান শাকিল। ফলে এক দিনের ব্যবধানে জামেরতলা বিলের খাস কালেকশনের ডাক ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকায় দাঁড়ায়।
হিসাব অনুযায়ী, পুনরায় ডাকের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের প্রস্তাবিত অঙ্ক বেড়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের দরের তুলনায় প্রায় ১০৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ আগের তুলনায় রাজস্বের প্রস্তাবিত পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
এদিকে ইজারাদাররা ডাক কম হওয়ার পিছনে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন তারা বলেন বর্তমানে বিলে মাছ নেই, আমরা এর পরিচর্যা আগ থেকে শুরু করতে পারিনি, এজন্য আমাদের বেশি ডাক দিলে লোকসান হবে।
কিন্তু ইউএনও সরকারের রাজস্বর কথা চিন্তা করে কাঙ্ক্ষিত দর না পাওয়ায় প্রথম নিলাম স্থগিত করে পরদিন বিলের পাড়ে পুনরায় প্রকাশ্য ডাকের ব্যবস্থা করায় সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা এবং উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক নিলাম নিশ্চিত করা গেলে জলমহাল থেকে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব।





