
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১০৫ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি, উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে অনুপ্রাণিত করতে এ সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা অঙ্কুর কালচারাল সেন্টারে ভূরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ভূরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি ফখরুজ্জামান জেটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কর্মকর্তা ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. মাহমুদুল ইসলাম সেলিম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান বুলবুল, ভূরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও ‘মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র স্বপ্নদ্রষ্টা অধ্যাপক ডা. মেফতাউল ইসলাম মিলন, ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক, সম্মিলিত শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ও সোনাহাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বাবুল আক্তার এবং ভূরুঙ্গামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে ‘মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মোটিভেশনাল বক্তব্য প্রদান করেন। তাঁরা সময়ের মূল্য, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায়, লক্ষ্য নির্ধারণ এবং সফলতার জন্য কঠোর পরিশ্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মাহমুদুল ইসলাম সেলিম বলেন, “জিপিএ-৫ অর্জন নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য, তবে এটিই জীবনের শেষ গন্তব্য নয়। দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে ফখরুজ্জামান জেট বলেন, “মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করার পাশাপাশি তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করাও সমাজের দায়িত্ব। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
পরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১০৫ জন শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।



