পটুয়াখালীর মহিপুরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। পেট্রোল কিছুটা পাওয়া গেলেও চাহিদা অনুযায়ী মিলছে না ডিজেল ও অকটেন। এতে পরিবহন চালক থেকে শুরু করে মৎস্যজীবী—সকলেই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গ্রামাঞ্চলের অনেক খুচরা ব্যবসায়ী তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে মোটরসাইকেল চালক, বাস, মিনিবাস, ট্রাক ও লঞ্চ চালকদের দুর্ভোগ বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মৎস্য বন্দর মহিপুর-আলীপুরের জেলেরা।
সরকারি মূল্যে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য বন্দর মহিপুর ও আলীপুরের খাপড়াভাঙ্গা নদীতে শত শত মাছধরা ট্রলার নোঙর করে আছে। তেল সংকটের কারণে এসব ট্রলার সমুদ্রে যেতে পারছে না, ফলে জেলেদের জীবিকায় নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা।
জানা গেছে, এ মৎস্য বন্দরে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৩ লাখ লিটার ডিজেলের চাহিদা থাকলেও পাম্পগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৭৫ হাজার লিটার।
মহিপুর গাজী ফিসের স্বত্বাধিকারী মো. মজনু গাজী বলেন, ‘ডিজেল সংকটের কারণে শত শত মাছধরা ট্রলার সাগরে যেতে পারছে না। এ বন্দরে জেলেদের প্রয়োজনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেলও নেই। ঈদকে সামনে রেখে মৎস্যজীবীরা চরম বিপাকে পড়েছেন।’
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘তেল সংকট নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
স্থানীয়রা দ্রুত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে মৎস্যজীবী ও পরিবহন খাতের সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয়




