
আজ মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উৎযাপন করা হয়েছে। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে -“Standing with teacher;60 years of protecting the profession,advancing its status and shaping our futures.শিক্ষকদের পাশে দাড়ান;পেশা সুরক্ষায় ৬০ বছর,মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং আমাদের ভবিষ্যত রুপদান।এই প্রতিপাদ্য বিষয়ের আলোকে সারা বিশ্বের ন্যায়,মাদারীপুরেও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।শহরের সরকারি ইউনাইটেড ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে,আলোচনা সভা ও রেলি অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায়,শিক্ষকদের নানা বৈষম্য কথা আলোচনা করা হয়।এ সময় আলোচক বৃন্দ বলেন শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়,তাহলে তার রুপকার হচ্ছে সম্মানিত শিক্ষক বৃন্দ, তাই তাদের মর্যাদা ও জীবন মান বৃদ্ধি করতে হবে।এছাড়াও জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা ও রেলি বের করা হয়।বিভিন্ন পেশাজীবি ব্যক্তিরা বলেন এদেশে শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও সম্মানি প্রদান করা হয়না।বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো হাজারো বৈষম্যের স্বীকার, তারা মাত্র ৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা পান,১৫% বাড়ি ভাড়া,৫০% উৎসব ভাতা পান,তাদের সন্তাদের জন্য কোন শিক্ষা ভাতা প্রদান করা হয়না,তাদের চাকুরী শেষে তারা পেনশন পাননা।এরুপ হাজারো বৈষম্যের মধ্যে কখনো ভালো শিক্ষা আশা করা যায়না।বিশ্লেষক গন বলেন শিক্ষকদের অভুক্ত রেখে কোন প্রচেষ্টাই সফল হবেনা।তারা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো, জাতীয় করনের জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন। গবেষনায় দেখা গেছে বাংলাদেশের শিক্ষকদের বেতন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন। আশা করি সরকার শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা গ্রহন করবেন, কেবল তাহলেই শিক্ষক দিবস উৎযাপন সার্থক হবে।





