রতনকান্দিতে ৪৫ বছর পর ৯৩ শতাংশ জমি দখলে নিলেন ভুক্তভোগীরা-ভুয়া রেকর্ড করে বিক্রির অভিযোগ, চারা গাছ নষ্ট করায় আদালতে মামলা

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা মৌজায় দীর্ঘ ৪৫ বছর পর ৯৩ শতাংশ আবাদি জমি নিজেদের দখলে নেওয়ার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী শুকুর আলী গংরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় ৪৫ বছর আগে একডালা গ্রামের দবুল্লাহ প্রামাণিক ১০ বছর মেয়াদে ৯৩ শতাংশ জমি কুড়ালিয়া গ্রামের জাদু আকন্দ গংদের কাছে বন্ধক রাখেন। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও ওই জমি দীর্ঘদিন ধরে জাদু আকন্দ গংদের দখলে ছিল।
তাদের আরও অভিযোগ, পরবর্তীতে বন্ধকি ওই জমির ভুয়া রেকর্ড তৈরি করে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। তবে সম্প্রতি জমির কাগজপত্র যাচাই করে তারা দেখতে পান, সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে জমির মালিকানা তাদের পরিবারের নামেই রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা মৌজায় দীর্ঘ ৪৫ বছর পর ৯৩ শতাংশ আবাদি জমি নিজেদের দখলে নেওয়ার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী শুকুর আলী গংরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় ৪৫ বছর আগে একডালা গ্রামের দবুল্লাহ প্রামাণিক ১০ বছর মেয়াদে ৯৩ শতাংশ জমি কুড়ালিয়া গ্রামের জাদু আকন্দ গংদের কাছে বন্ধক রাখেন। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও ওই জমি দীর্ঘদিন ধরে জাদু আকন্দ গংদের দখলে ছিল।
তাদের আরও অভিযোগ, পরবর্তীতে বন্ধকি ওই জমির ভুয়া রেকর্ড তৈরি করে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। তবে সম্প্রতি জমির কাগজপত্র যাচাই করে তারা দেখতে পান, সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে জমির মালিকানা তাদের পরিবারের নামেই রয়েছে।
এ বিষয়ে শুকুর আলী বলেন, “প্রায় ৪৫ বছর আগে আমি নাবালক ছিলাম। তখন জমিজমার কাগজপত্র সম্পর্কে কিছুই বুঝতাম না। বর্তমানে কাগজপত্র যাচাই করে দেখি, জমির কাগজ আমাদের নামেই রয়েছে। পরে কাগজপত্রের ভিত্তিতে আমরা জমিটি নিজেদের দখলে নিই।”
তিনি আরও জানান, জমি দখলে নেওয়ার পর সেখানে প্রায় ৯০০টি, ৮১ জাতের চারা গাছ রোপণ করা হয়েছে। এর আগে একই পরিমাণ চারা গাছ রোপণ করা হলে জাদু আকন্দ গংরা সেগুলো তুলে ফেলেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। চারা গাছ নষ্ট করার অভিযোগে সিরাজগঞ্জ সদর আমলী আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ওই জমির পাশে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বসবাস করছেন কুড়ালিয়া গ্রামের তছের প্রামাণিকের দুইটি পরিবার। কুড়ালিয়া ও একডালা দুই পরিবারের মধ্যকার এই বিরোধের জেরে ওই দুই পরিবারের চলাচলের রাস্তায় বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে পরবর্তীতে শুকুর আলী গংরা তা অবমুক্ত করে দেন বলে জানায় তছের প্রামাণিকের পরিবার।
স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা, এই দুই পরিবারের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত সমাধান না হলে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ‘আমাকে প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন, খালি হাতে আসিনি’

আকস্মিক চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও