কক্সবাজারের রাজারকুল রেঞ্জের বনাঞ্চল আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রেঞ্জ ট্রেনিং কর্মকর্তা অভিউজ্জমানের নানাবিধ অপকর্ম ধামাচাপা দিতে একজোট হয়ে মাঠে নেমেছে এলাকার চিহ্নিত বনদস্যু ও পাহাড়খেকো সিন্ডিকেট। একজন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে অপরাধী চক্রের এই গভীর সখ্যতা নিয়ে এখন জনমনে তীব্র প্রশ্ন দানা বেঁধেছে।
**অভিযোগের মূলবিন্দুগুলো:**
* **সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট:** একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে রেঞ্জ কর্মকর্তার পক্ষ নিয়ে পাহাড় কাটা, গাছ পাচার এবং বনভূমি দখলের মতো অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
* **মুখ বন্ধ করার অপকৌশল:** রেঞ্জ কর্মকর্তার দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে কেউ কথা বলতে গেলেই ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
* **প্রভাব খাটানোর চেষ্টা:** ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ম্যানেজ করার জন্য এই চক্রটি মোটা অংকের ‘মিশন’ নিয়ে মাঠে নেমেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
* **পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড:** পাহাড় নিধন ও সরকারি সম্পদ লুটপাটের ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য আজ চরম হুমকির মুখে।
প্রশাসনিক আশ্রয়ে যদি বনদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে, তবে আমাদের অমূল্য বনভূমি রক্ষা করবে কে? এ অবস্থা চলতে থাকলে রাজারকুল রেঞ্জ তার অস্তিত্ব হারাবে।
**আমাদের দাবি:**
১. অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে।
২. পাহাড় ও বনভূমি রক্ষা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. দুর্নীতির সাথে জড়িত কর্মকর্তা এবং বনদস্যু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
বন ও পাহাড় আমাদের সম্পদ, এই সম্পদ লুটেরাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।




