বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাবেক ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম হত্যা মামলার বাদী ও সাক্ষীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে শরণখোলা জলের ঘাট এলাকায় সাউথখালী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারন এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মামলার বাদী শহিদুল ইসলাম, নিহতের স্ত্রী সুমাইয়া বেগম, মামলার সাক্ষী সাগর হোসেন, নাসিমা বেগম, নজরুল ইসলাম ও এম মাসুদ ইসলাম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা সেলিম খান, হালিম খান, মাস্টার বদিউল ইসলাম, বাদল হোসেন, আব্দুল হক ফারাজি, মাসুম ফরাজী, রিয়াদুল ফরাজী, কবির হোসেন, মুকুল হোসেন খান, ফিরোজা বেগম, বাবুল ফরাজী, মরিয়ম খাতুন, খাদিজা বেগম, রানী বেগম, রোকেয়া বেগম সহ ইউনিয়নের ৫ শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় এসে বাদী ও সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। তারা বলেন, বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বাদী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় তারা মামলার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, শরণখোলা এলাকার মৃত আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী আরিফুল ইসলাম মাসুম শ্বশুরবাড়ি থেকে বাড়ি আসার পথে ১লা মার্চ রাতে দুই গ্রুপের মধ্যে একটি মারামারির ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে এলাকার চিহ্নিত একদল সন্ত্রাসী কুপিয়ে আহত করার কর তাকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে ওই দিন রাত বারোটায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মোঃ তানজির বয়াতি
পরেরদিন মৃতের ভাই মোঃ শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে স্থানীয় আফজাল জোমাদ্দার (৩৫), মিজান হাওলাদার (৪২), ইবনুর হাওলাদার (৪২), খলিল বয়াতী (৩২), ইব্রাহিম বয়াতি (৪০), মিজান হাওলাদার (৩৫), সেলিম হাওলাদার (৩২), আব্দুল্লাহ হাওলাদার (২৫), শাহজাহান বয়াতি (৬০), বারেক শরীফ (৫৫), ইদ্রিস হাওলাদার (৫০), মোঃ দেলোয়ার হাওলাদার (৫৫), রাসেল মোল্লা (৪০), মনির হাওলাদার (৩৫), শাহজালাল বয়াতি (৩৫), মোহাম্মদ তানভীর বয়াতি (৬৫) দের এজাহারে নাম উল্লেখ করে আরো ১০-১২ জন অজ্ঞাত আসামি দিয়ে শরণখোলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।



