স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে জোরালো যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযানে নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একযোগে মাঠে কাজ করছেন।
রবিবার (৩ মে) বিকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই অভিযানের অংশ হিসেবে আজও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। এর সাথে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গহীন বনাঞ্চল, নদী ও খালগুলোতেও নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বনজীবীসহ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে দস্যুদের চলাচল ও তৎপরতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গত এক বছরে নিয়মিত অভিযানে বিভিন্ন বনদস্যু বাহিনীর মোট ৪০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ৪৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৮৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং ২টি হাতবোমাসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অভিযানের সময় দস্যুদের কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, সুন্দরবনে স্থায়ীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বনজীবীদের নিরাপত্তাসুন্দরবনে বনদস্যু দমনে যৌথ অভিযান জোরদার
বাগেরহাট প্রতিনিধি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে জোরালো যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযানে নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একযোগে মাঠে কাজ করছেন।
রবিবার (৩ মে) বিকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই অভিযানের অংশ হিসেবে আজও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। এর সাথে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গহীন বনাঞ্চল, নদী ও খালগুলোতেও নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বনজীবীসহ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে দস্যুদের চলাচল ও তৎপরতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গত এক বছরে নিয়মিত অভিযানে বিভিন্ন বনদস্যু বাহিনীর মোট ৪০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ৪৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৮৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২৯৯ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ এবং ২টি হাতবোমাসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অভিযানের সময় দস্যুদের কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, সুন্দরবনে স্থায়ীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।নিশ্চিত করতে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




