মঙ্গলবার,৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চরফ্যাশনে খাল পুঃনখনন শেষে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১ কোটি ২ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় খাল পুনঃখনন ও বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের পুরোটা ব্যয় না হওয়ায় সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ।
এদিকে খাল পুনঃখনন কাজ শেষে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এবং ভোলা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ডা. শামীম রহমান। পরিদর্শন শেষে খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তারা কাজের গুণগত মানে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি’ (ইজিপিপি)-এর আওতায় চরফ্যাশনে সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী ব্রিজ পর্যন্ত ৩.৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য মোট ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রকল্পের নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করা হলেও প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয়ে কাজ শেষ হয়। ফলে মোট ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা সাশ্রয় হয়। পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজ জানান, ঐতিহ্যবাহী খালটি দীর্ঘদিন ধরে ভরাট হয়ে প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে খালটি পুনঃখনন করা হয়। খালের বিভিন্ন স্থানে প্রস্থ ভিন্ন হওয়ায় প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও বলেন, “সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাশ্রয় হওয়া সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

আগুনে পুড়ে সর্বস্ব হারালেন ৭৩ বছরের বিশ্বমিত্র ত্রিপুরা, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম বড়থলি ইউনিয়নের ধুপানিছড়া পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে

কুয়াকাটা লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ পর্যটক, হোটেল- রিসোর্ট মালিক, রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা

কুয়াকাটায় দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র  পর্যটকদের নির্বিঘ্ন সেবা

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের প্রধান ছাত্রাবাস ও ইন্টার্নি হলের সামনে ময়লার ডাস্টবিন অপসারণের জোর দাবি

ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের প্রধান ছাত্রাবাস এবং ইন্টার্নি ছাত্রদের