পাবনার সুজানগর উপজেলা ও আমিনপুর থানার অন্তর্গত আহম্মদপুর ইউনিয়নের সোনাতলা পূর্বপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পলাশ শেখ নামে এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে পিটিয়ে মারাত্বক আহত করার অভিযোগ উঠেছে।এই অভিযোগ এর বিষয়ে সাংবাদিক সরজমিনে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করায়,সাক্ষীদের কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতরা হলেন, পলাশ শেখের মা রুবিয়া বেগম (৮০) এবং পলাশ শেখের ভাগ্নি আশা খাতুন (১৫),৷ আহতরা পাবনা সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। হামলাকারীরা হল, ১। সোহেল রানা, ২।আলেয়া বেগম এবং ৩।রত্না খাতুন। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ। আহত পলাশ শেখ আহম্মদপুর ইউনিয়নের সোনাতলা পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত সোবাহান শেখের ছেলে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পলাশ শেখ বাদী হয়ে, আমিনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর শেখের ছেলে রাসেল শেখ ,ও রায়হান সেখ, শুকুর শেখের ছেলে সোহেল শেখ,আহম্মদপুর ইউনিয়নের সোনাতলা পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৬টার দিকে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্র, কাঠের রোল ও লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা করে এলোপাতাড়ি মারধর করে প্রতিবন্ধী পলাশকে মারাত্বক আহত করে। এ সময় পলাশের কাছে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়া হয়।এক পর্যায়ে পলাশের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলা কারীরা ঘটনা নিয়ে মামলা না করার জন্য এবং পরিবারটিকে ভিটেমাটি ছাড়া করার প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে কেটে পড়ে।পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত পলাশকে উদ্ধার করে বেড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পলাশ শেখ জানান, এলাকার সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত রাসেল শেখ, সোহেল শেখ ও রায়হান শেখ প্রকাশ্যে আমাকে স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় হামলা করে। হামলা কারিরা ইতি পুর্বে,তাঁর কাছে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়ায় বিভিন্ন সময়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিবন্ধী পলাশ শেখ।
এবিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করলে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।এ বিষয়ে থানা পুলিশ জানায়, দুই জনকে গ্রেফতার করেছে আমিনপুর থানা পুলিশ। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




