মেলা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, চেক-স্ট্যাম্প দেখিয়ে ‘প্রকৃত ঘটনা’ প্রকাশের দাবি কৃষক দল নেতার

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মেলা আয়োজনকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এক পক্ষের সাংবাদিক সম্মেলনে ওঠা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে এবার চুক্তিনামা, রেজুলেশন, টাকা লেনদেনের কাগজপত্র, চেক ও স্ট্যাম্পের হিসাব সামনে এনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন গঙ্গাচড়া উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. শহিদুল হক।

শনিবার (২৯ আগস্ট) গঙ্গাচড়ায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব দাবি করেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শহিদুল হক বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ৪০ দিনব্যাপী বৈশাসামছুল হক, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি :

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মেলা আয়োজনকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এক পক্ষের সাংবাদিক সম্মেলনে ওঠা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে এবার চুক্তিনামা, রেজুলেশন, টাকা লেনদেনের কাগজপত্র, চেক ও স্ট্যাম্পের হিসাব সামনে এনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন গঙ্গাচড়া উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. শহিদুল হক।

শনিবার (২৯ আগস্ট) গঙ্গাচড়ায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব দাবি করেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শহিদুল হক বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ৪০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা আয়োজনের জন্য গত ৪ মার্চ রংপুর জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে সরকারি স্মারকের মাধ্যমে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন হওয়ার পর ৭ এপ্রিল মো. মাহবুব হোসেনের সঙ্গে মেলা আয়োজন সংক্রান্ত চুক্তি করা হয়। ওই চুক্তির সময় তাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। তার দাবি, ২ মে মেলা পরিচালনার জন্য কমিটি গঠন ও রেজুলেশন করা হয়। ৬ মে জমি লিজ বাবদ আরও ৯০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এরপর ৪৫ দিনব্যাপী হস্ত ও কুটির শিল্প মেলার আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়।

 

শহিদুল হক বলেন, পরবর্তীতে ১৮ আগস্ট বিজয় দিবস উপলক্ষে ৬০ দিনব্যাপী হস্ত ও কুটির শিল্প মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য ঢাকা থেকে একটি প্রতিনিধি দল রংপুরে আসে। তাদের থাকা-খাওয়াসহ বিভিন্ন খরচও সংশ্লিষ্টদের বহন করতে হয়। কিন্তু ২৩ আগস্ট মেলার অনুমোদনের প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হয়ে মাহবুব প্রতিনিধি দলকে রংপুরে রেখে বাড়িতে চলে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এরপরই বিষয়টি আরও জটিল আকার নেয় বলে দাবি শহিদুলের।তিনি বলেন, গত ২৪ আগস্ট মেলা কমিটির ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে মাহবুব হোসেন নিজ জ্ঞানে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন। এ সংক্রান্ত চুক্তিপত্র, রেজুলেশন, অর্থ লেনদেনের কাগজপত্র, চেক ও স্ট্যাম্প তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

 

সাংবাদিক সম্মেলনে শহিদুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। মেলা সংক্রান্ত সব কাগজপত্র যাচাই, অর্থ লেনদেনের হিসাব পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, তদন্তে তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তিনি তা মেনে নেবেন। তবে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।

সাংবাদিক সম্মেলনে মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগের কথা তুলে ধরেন শহিদুল হক। তার দাবি, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে একই ধরনের কৌশলে টাকা নেওয়া এবং পরবর্তীতে টাকা ফেরত না দেওয়া কিংবা প্রতিশ্রুত কাজ সম্পন্ন না করার অভিযোগ তার কাছে এসেছে।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত মাহবুবকে অপরাধী হিসেবে আখ্যা দিতে রাজি নন বলে জানান শহিদুল।

 

তিনি বলেন, অভিযোগগুলো সত্য হলে তা অবশ্যই তদন্তের দাবি রাখে। তাই শুধু তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নয়, মাহবুবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে শহিদুল হক বলেন, কোনো পক্ষের একতরফা বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ না করে উভয় পক্ষের বক্তব্য, চুক্তিপত্র, রেজুলেশন, অর্থ লেনদেনের নথি, চেক ও স্ট্যাম্পসহ সংশ্লিষ্ট প্রমাণ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে হবে।

 

তিনি দাবি করেন, মেলা সংক্রান্ত কোনো টাকা আত্মসাৎ বা অনিয়মের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বরং পুরো বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং যার কাছে যে টাকা পাওনা রয়েছে, তা আইনগত ও ন্যায়সংগতভাবে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।

 

সাংবাদিক সম্মেলনের শেষ দিকে মেলা আয়োজনের পুরো অর্থ লেনদেন এবং মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান শহিদুল হক।খী মেলা আয়োজনের জন্য গত ৪ মার্চ রংপুর জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে সরকারি স্মারকের মাধ্যমে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন হওয়ার পর ৭ এপ্রিল মো. মাহবুব হোসেনের সঙ্গে মেলা আয়োজন সংক্রান্ত চুক্তি করা হয়। ওই চুক্তির সময় তাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। তার দাবি, ২ মে মেলা পরিচালনার জন্য কমিটি গঠন ও রেজুলেশন করা হয়। ৬ মে জমি লিজ বাবদ আরও ৯০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এরপর ৪৫ দিনব্যাপী হস্ত ও কুটির শিল্প মেলার আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়।

 

শহিদুল হক বলেন, পরবর্তীতে ১৮ আগস্ট বিজয় দিবস উপলক্ষে ৬০ দিনব্যাপী হস্ত ও কুটির শিল্প মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য ঢাকা থেকে একটি প্রতিনিধি দল রংপুরে আসে। তাদের থাকা-খাওয়াসহ বিভিন্ন খরচও সংশ্লিষ্টদের বহন করতে হয়। কিন্তু ২৩ আগস্ট মেলার অনুমোদনের প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হয়ে মাহবুব প্রতিনিধি দলকে রংপুরে রেখে বাড়িতে চলে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

এরপরই বিষয়টি আরও জটিল আকার নেয় বলে দাবি শহিদুলের।তিনি বলেন, গত ২৪ আগস্ট মেলা কমিটির ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে মাহবুব হোসেন নিজ জ্ঞানে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন। এ সংক্রান্ত চুক্তিপত্র, রেজুলেশন, অর্থ লেনদেনের কাগজপত্র, চেক ও স্ট্যাম্প তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

 

সাংবাদিক সম্মেলনে শহিদুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। মেলা সংক্রান্ত সব কাগজপত্র যাচাই, অর্থ লেনদেনের হিসাব পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, তদন্তে তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তিনি তা মেনে নেবেন। তবে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।

সাংবাদিক সম্মেলনে মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগের কথা তুলে ধরেন শহিদুল হক। তার দাবি, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে একই ধরনের কৌশলে টাকা নেওয়া এবং পরবর্তীতে টাকা ফেরত না দেওয়া কিংবা প্রতিশ্রুত কাজ সম্পন্ন না করার অভিযোগ তার কাছে এসেছে।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত মাহবুবকে অপরাধী হিসেবে আখ্যা দিতে রাজি নন বলে জানান শহিদুল।

 

তিনি বলেন, অভিযোগগুলো সত্য হলে তা অবশ্যই তদন্তের দাবি রাখে। তাই শুধু তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নয়, মাহবুবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে শহিদুল হক বলেন, কোনো পক্ষের একতরফা বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ না করে উভয় পক্ষের বক্তব্য, চুক্তিপত্র, রেজুলেশন, অর্থ লেনদেনের নথি, চেক ও স্ট্যাম্পসহ সংশ্লিষ্ট প্রমাণ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে হবে।

 

তিনি দাবি করেন, মেলা সংক্রান্ত কোনো টাকা আত্মসাৎ বা অনিয়মের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বরং পুরো বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং যার কাছে যে টাকা পাওনা রয়েছে, তা আইনগত ও ন্যায়সংগতভাবে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।

 

সাংবাদিক সম্মেলনের শেষ দিকে মেলা আয়োজনের পুরো অর্থ লেনদেন এবং মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান শহিদুল হক।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

৫ বছরে ২৫কোটি চারা রোপণ স্থানীয় লোকদের সমন্বয় করার জন্যই সামাজিক বনায়ন করা হয়েছে-পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ বল ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম