
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শিক্ষার্থী সাইমুনের মরদেহ রাজশাহীর একটি মেস থেকে উদ্ধার । তার মৃত্যুর আসল রহস্য এখনো জানা যায়নি।
নিহত সাইমুন আত্রাই উপজেলার বারুণীতলা বাজার এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. মিলন,মাতা জান্নাতুল ফেরদৌস,
জানা গেছে, সাইমুন রাজশাহীতে থেকে পড়াশোনা করতেন। রাজশাহীর একটি মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে সাইমুনের মৃত্যু অসুস্থতা নাকি অন্য কোনো কারণে—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
গতকাল রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে রাজশাহীর সিটি কলেজ সংলগ্ন একটি ছাএাবাস এর সিংগেল রুম থেকে তার মর দেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সময় তাকে গলায় গামছা+কোমড়ের বেল্ট দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে দরজার হাতলের সাথে বাধা এবং মাটিতে বসা অবস্থায় পাওয়া যায়। যার উচ্চতা ছিলো আনুমানিক ২ থেকে ২.৫ ফুট।
যা থেকে ধারনা করা যায় এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা।
তার শরীরে একাধিক আঘাতের দাগ রয়েছে।গলায় গামছা ও বেল্ট দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে! গলায় চামরার বেল্ট ঢিলা করে দরজার হুক এর ভিতর লাগানো ছিলো। এটি কোনভাবে আত্মহত্যা হতে পারেনা। আর সাইমুম অত্যন্ত ভদ্র ও ট্যালেন্টটেড ছাত্র। সে কখনো আত্মহত্যা করতে পারেনা।





