
নাব্যতা সংকট, তীব্র স্রোত ও ঘাট সংকটের কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে প্রায় ৩ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। এতে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ট্রাকচালক ও যাত্রীদের। সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ পণ্যবাহী ট্রাকের সারি।
বৃহস্পতিবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঘাট এলাকায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক। ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় থাকা এসব যানবাহনের চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় পড়েছেন ভোগান্তিতে।
ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত ও নাব্যতা সংকটের কারণে দৌলতদিয়া প্রান্তের অধিকাংশ ঘাটে ফেরি ভিড়তে পারছে না। বর্তমানে মাত্র ৪ ও ৬ নম্বর ঘাট সচল রয়েছে। এর মধ্যে ৬ নম্বর ঘাটে সারাদিনেও কোনো ফেরি ভিড়তে পারেনি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৭ নম্বর ফেরিঘাটটিও নাব্যতা সংকটের কারণে প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে সীমিতসংখ্যক ঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার করায় চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সালাউদ্দিন বলেন, “বর্তমানে মাত্র দুটি ঘাট সচল রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ৭ নম্বর ঘাটটি নাব্যতা সংকটের কারণে প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ। ঘাটগুলো সচল হলে যানবাহন পারাপারে আর সমস্যা থাকবে না।”
ঘাটের সক্ষমতা অনুযায়ী একাধিক ঘাট সচল না থাকায় প্রতিদিনই দৌলতদিয়া প্রান্তে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে পরিবহন খরচ বাড়ার পাশাপাশি সময়মতো পণ্য পৌঁছানো নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন চালকরা।
দ্রুত নাব্যতা সংকট নিরসন ও বন্ধ ঘাটগুলো সচল করে যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
