
খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতারা জ্বালানী তেল, সিলিন্ডার গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। রাজধানীর পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তারা বলেছেন, সরকার জ্বালানি তেল, সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে জনজীবনকে বিপর্যস্তকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। ইতোমধ্যে বাস ভাড়া সহ দ্রব্যমূল্য আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতি আরেক দফা বেড়েছে। বিগত ৬ মাসে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের টিকে থাকা চরম কঠিন।
অবিলম্বে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনা ও বর্ধিত জ্বালানি মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা। এছাড়া সম্প্রতি শিশু-কিশোর হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে অবিলম্বে কিশোর গ্যাং, মাদক সরবরাহকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স গ্রহণের জন্য আমরা জোর দাবি জানান খেলাফত মজলিস নেতারা।
বৈঠকে নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত গণভোটে জনগণের সুস্পষ্ট রায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে উপেক্ষা করে একতরফা ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’র মাধ্যমে সরকার ৭২এর বিতর্কিত সংবিধান রক্ষার পাঁয়তারা করছে। এখন নতুন করে গণভোট আয়োজনের কথা বলছে। আমরা সরকারকে বলবো, জনগণ একবার রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করুন। এসব নাটক বন্ধ করে অবিলম্বে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করে গণরায় অনুযায়ী সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিন।

