হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের পরপরই জামালপুর সদর থানার কনস্টেবল ওয়াজেদ (বিপি নং: ৯৪১৪১৮২৮১১)-কে বদলি করা হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে স্থানীয় জনমনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্ত ওই কনস্টেবলকে প্রশাসনিকভাবে অন্যত্র বদলি করা হয়। যদিও এটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নাকি নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ—তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।
এর আগে বিভিন্ন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, মোবাইল ফোন উদ্ধারের নামে তাদের কাছ থেকে কোনো সরকারি ফি ছাড়াই কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, থানার ভেতরে অনানুষ্ঠানিকভাবে দরকষাকষির মাধ্যমে অর্থ নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে টাকা নেওয়া হতো।
সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অনেকেই এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তাকে বদলি করা হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সচেতন মহলের মতে, কেবল বদলি নয়—অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা কঠিন হবে।




