ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানাধীন স্কুল পড়ুয়া নাবালিকা ছাত্রী (১৩) কে ধর্ষণপূর্বক আত্মহত্যায় প্ররোচনার প্রধান অভিযুক্ত মোঃ রুবেল মিয়া (৪০), মামলা রুজুর ২৪ ঘন্টার মধ্যে র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ কর্তৃক গ্রেফতার।
উল্লেখিত ভিকটিম তার বাবা, মা এবং দাদীর সাথে ফুলপুর থানাধীন নিজ বাড়ীতে বসবাস করতো।
অপরদিকে ধৃত অভিযুক্ত রুবেল মিয়া ভিকটিমের প্রতিবেশী। গত ২৯ মার্চ ২০২৬খ্রিঃ অনুমান ২২০০ ঘটিকায়
ভিকটিম নিজ বাড়ি থেকে বাইরে যায় এবং ফিরে এসে ঘরের ভিতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থতার বিষয়ে তার দাদীর জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম জানায় ‘রুবেল মিয়ার বাড়ি থেকে আমি কীটনাশক খেয়ে এসেছি, রুবেল আমার সর্বনাশ করেছে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে এই মুখ কাউকে দেখাবোনা’। সাথে সাথে ভিকটিমকে দ্রুত ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং রাত অনুমান ৪ টায় মৃত্যুবরণ করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানায় মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-১১, তারিখ ৩০ মার্চ ২০২৬খ্রিঃ, ধারা-নারী ও শিশু নির্ঘাতন দমন আইন ২০০০, (সংশোধনী/২০২৫) এর ৯(১)/৯(ক): (ধর্ষণসহ আত্মহত্যায় প্ররোচনা দানের অপরাধ)।
যা প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এর প্রেক্ষিতে র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ছায়াতদন্ত কার্যক্রম শুরু করে এবং সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৩১ মার্চ ২০২৬ ইং মধ্যরাতে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানাধীন রামভদ্রপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ঘটনার প্রধান এবং একমাত্র অভিযুক্ত মোঃ রুবেল মিয়া (৪০), সাং-বড় শুনই, থানা-
ফুলপুর জেলা-ময়মনসিংহ’কে মামলা রুজুর ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এছাড়াও র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর অপর আভিযানিক দল ১ এপ্রিল ২০২৬ ইং ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার বুদ্ধি প্রতিবন্ধি(১৬) কে ধর্ষণ মামলার প্রধান এবং একমাত্র অভিযুক্ত মোঃ কলিম উদ্দিন ওরফে কলম উদ্দিন (৫৮), সাং-ধলাইমান, থানা-ত্রিশাল, জেলা-ময়মনসিংহ’কে ঈশ্বরগঞ্জ ধানার উচাখিলা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।




