গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক পরিবারের ওপর হামলা, মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নওহাটা এলাকার বাসিন্দা মো. আহাদুজ্জামান দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে তার ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আহাদুজ্জামান ও তার ভাই জানি আলম গুরুতর আহত হন।
এ সময় হামলাকারীরা তাদের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, হামলাকারীরা তার স্ত্রীর গলায় থাকা প্রায় ১ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন, তার মায়ের প্রায় ২ লাখ টাকা মূল্যের আরেকটি স্বর্ণের চেইন এবং ঘরে থাকা প্রায় ৫০ হাজার টাকা নগদ অর্থ নিয়ে যায়। এছাড়া ভাঙচুরের ঘটনায় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
আহত জানি আলম বর্তমানে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্য আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় গত ১৪ এপ্রিল মো. আহাদুজ্জামান বাদী হয়ে মুকসুদপুর থানায় মামলা (নং-১৬) দায়ের করেন। মামলায় মিজান শেখ, ফরিদ শেখ, ফিরোজ শেখ, নুরুল ইসলাম, সাহাদত শেখ, শাহ আলম শেখসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানার পুলিশ জানায়, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




