রেঞ্জ ট্রেনিং করতে এসে কোটি টাকার মালিক রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমান।
সংবাদ দাতা
লোক দেখানো অভিযাানের আড়ালে কোটি টাকার ভাগ্যের খেলা- রামু রাজারকুল রেঞ্জে বন ধ্বংসের মহোৎসব, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।
সাধারণ মানুষের মন ভোলানো অভিযানের আড়ালে বন লুটের অভিযোগ রাজারকুল রেঞ্জ ট্রেনিং কর্মকর্তা অভিউজ্জমানের বিরুদ্ধে। অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির মহোৎসব চলছে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের রাজারকুল রেঞ্জে। রোহিঙ্গাদের আবাসনের কারণে এমনিতেই চরম ঝুঁকিতে রয়েছে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের পাহাড় ও বন।
অথচ! ক্ষতি পুষিয়ে বন পুনরুদ্ধারের পরিবর্তে ধ্বংসযজ্ঞে নেমেছেন রামু রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমান।
বহুমুখী দুর্নীতিতে অভিযুক্ত এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাহাড় কাটা, বনভূমি জবরদখলে সহযোগিতা ও আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ বন বিভাগে এখন ওপেন সিক্রেট।
দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমানের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ ফলাও করে প্রকাশিত হলেও দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুনেরে রহস্য জনক কারণে।
রেঞ্জ ট্রেনিং কর্মকর্তা অভিউজ্জমানের মদদে পাহাড় কাটা হচ্ছে, রামু রাজারকুল রেঞ্জে অনুসন্ধান বলছে, রেঞ্জ কর্মকর্তার কথিত কিছু অসাধু পাহাড় খেকো বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে মাটি পাচার ও পাহাড় কাটার মহোৎসব চলছে ।
রাজারকুল রেঞ্জে দারিয়ার দীঘি কম্বোডিয়ায় এলাকায় বনভূমি রক্ষা করতে গিয়ে ফরেস্টার জহিরুল ইসলাম সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হওয়ার পরও বেশ কয়েকটি চক্র বন ও পাহাড় নিধনচালিয়ে যাচ্ছে অভিউজ্জমানের পরোক্ষ সহযোগিতায়।
বন ও পাহাড় ধ্বংসে রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমান কঠোর অবস্থানের পরিবর্তে বনখোকোদের সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
এর পাশাপাশি রাজারকুল রেঞ্জের আপাররেজু বনবিটে বিভিন্ন এলাকার বনাঞ্চলে অবাধে ঘরবাড়ি, দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে।
বনভূমি জবরদখল প্রতিরোধের পরিবর্তে রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে বনকর্মীদের একটি চক্র এসব স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ করে দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অভিউজ্জমান।
বনে নির্মিত পুরোনো স্থাপনাগুলো থেকে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অনুসন্ধান আরও বলছে, রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ছেড়ে রাজারকুলের বিভিন্ন এলাকায় জড়িত হচ্ছে অপরাধী কার্যক্রমে।যে-মন বনের গাছ কেটে তৈরি করছে দালান বাড়ি, তাদের সাথে অবৈধ লেনদেনে জড়িয়ে পড়েছেন রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিউজ্জমান।
এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিউজ্জমান বলেন, ধোয়া পালং, পানের ছড়া রেঞ্জে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা হচ্ছে ওনার নেতৃত্বে , রাজারকুল রেঞ্জে অপরাধ নেই।
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।




