অসুস্থতার কাছে থমকে গেছে ১৪ বছরের টুপুরের নার্স হওয়ার স্বপ্ন_চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ২ লাখ টাকা

মানুষের সেবা করে নার্স হওয়ার স্বপ্ন দেখতো সিরাজগঞ্জের ১৪ বছরের কিশোরী টুপুর রানী। কিন্তু দুরারোগ্য অসুস্থতা থমকে দিয়েছে তার সেই স্বপ্ন। চিকিৎসার অভাবে আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা হিন্দুপাড়ার শ্রী পনব দাসের একমাত্র সন্তান টুপুর। জন্মের পর সুস্থভাবেই বড় হচ্ছিল। কিন্তু ৭ বছর বয়সে হঠাৎ শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়। স্থানীয় হাসপাতাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করিয়েও রোগ নির্ণয় হয়নি।
চিকিৎসা না হওয়ায় ধীরে ধীরে বেঁকে গেছে তার মেরুদণ্ড, বাঁকা হয়ে গেছে দুই পা। বর্তমানে সে ঠিকমতো হাঁটতে পারে না। নিজের দৈনন্দিন কাজও করতে পারে না।
ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, টুপুর আগে স্ট্রোক করেছিল। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ২ লাখ টাকা। পাশাপাশি প্রতি ৭ দিন পরপর থেরাপি দিতে হবে। প্রতিবার থেরাপির খরচ প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকা।
সেলুনে কাজ করে কোনো রকমে সংসার চালানো টুপুরের বাবা-মায়ের পক্ষে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। দিনের পর দিন চিকিৎসা করাতে গিয়ে পরিবারটি এখন প্রায় নিঃস্ব।
এত কষ্টের মাঝেও পড়াশোনা থামায়নি টুপুর। স্থানীয় বয়ড়া ভেন্নাবাড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী সে। অসুস্থ শরীর নিয়েও তার চোখে এখনো নার্স হওয়ার স্বপ্ন।
টুপুরের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “একমাত্র মেয়েটাকে বাঁচাতে চাই। মানুষের কাছে সাহায্য চাচ্ছি।
টুপুরের বাবা বলেন, মেয়ের চিকিৎসার জন্য ২ লাখ টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব না। দেশ-বিদেশের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছি।”
প্রতিবেশীরা জানান, টুপুর খুবই মেধাবী। সবার সহযোগিতা পেলে মেয়েটি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে মানুষের সেবা করতে পারবে।
টুপুর রানী বিকাশ/নগদ পারসোনাল: 01338090977
সবার সহযোগিতাই পারে টুপুরকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে এবং বাঁচিয়ে রাখতে তার নার্স হওয়ার স্বপ্ন।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক (৩) জনকে পুশ‌ইনের চেষ্টা- ব্যর্থ করে দিলেন বিজিবি

 চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে ৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী