কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার ৮ আগস্ট, শনিবার, নদীভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং কুড়িগ্রাম-৩/৪ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জারিন রনি
নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন কালে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নদীভাঙনে সৃষ্ট পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি ও ভুক্তভোগীদের নানা সমস্যার কথা শোনেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন সফরকারীরা।
পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহবায়ক ও মো: হাশিবুর রহমান হাসিব।
এ ছাড়া চর রাজিবপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাদেকুল ইসলাম, বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, সদস্য সচিব আব্দুল হাই সরকার, যুগ্ম আহবায়ক ও রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরন মো: ইলিয়াস, অধ্যাপক মাহবুবুর রশিদ মন্ডল, কোদালকাটি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব, রাজিবপুর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রুস্তম মাহমুদ লিখন,ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নদীভাঙনকবলিত এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা নদীভাঙনে তাঁদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয়রা বলেন, প্রতিবছর নদীভাঙনে নতুন নতুন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে অনেক পরিবার বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে। তাই শুধু সাময়িক প্রতিরোধ নয়, নদীভাঙন রোধে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি নদীশাসন ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তাঁদের।
স্থানীয়দের আশা, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে চর রাজিবপুরের নদীভাঙনকবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।



