​গোয়ালন্দে শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে  শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি হবি সরদার(৫৫)কে গ্রেপ্তার করেছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ।
 গ্রেপ্তারকৃত হবি সরদার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ওমেদ আলী সরদার পাড়ার মৃত ওমেদ আলী সরদারের ছেলে।
​ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দৌলতদিয়া ওমেদ আলী সরদার পাড়ায় ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এই ঘটনার   পর থেকে একটি প্রভাবশালী মহল স্থানীয়ভাবে দফায় দফায় সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে এবং পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হবি সরদারকে গ্রেপ্তার করে।
​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে  শিশু ধর্ষণের  একটি মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ এলাকা থেকে হবি সরদারকে গ্রেপ্তার করে।
​এ বিষয়ে  গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ  (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, শিশু ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামীকে গ্রেপ্তার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে  আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশ সীমান্তে পড়ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে

কালীগঞ্জে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অপরাধে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

গাজীপুরের কালীগঞ্জে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির অপরাধে তিন ব্যবসায়ীকে আর্থিক জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারায় ওই তিন ব্যবসায়ীকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন হালদার কালীগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই ব্যবসায়ীদের এই অর্থদণ্ড প্রদান করেন। কালীগঞ্জ পৌরসভার দড়িসোম এলাকায় ব্যবসায়ী রাজু আহমেদকে ৫ হাজার টাকা, চুন্নু মিয়াকে ৩ হাজার টাকা ও দক্ষিণ ভাদার্ত্তীর মো. রেজাউল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।   নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল আমিন হালদার বলেন, সরকারের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা একটি বড় ধরনের অপরাধ। যেই সব ব্যবসায়ীরা এই রকম কাজ করবে তাদের অর্থদণ্ড ও সাজা প্রদান করা হবে। এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।