
কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে মালিকানাধীন জমিতে জোরপূর্বক দোকানঘর নির্মাণ করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।চকরিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের আবদুল হামিদ বাস টার্মিনাল এর পূর্ব পাশে অবস্থিত নির্মাণ টাইলস এর পাশের জায়গায় ঘটে এ ঘটনা,এর পূর্বে শহিদুল ইসলাম ফোরকান উমরাহ্ হজ্ব পালন করতে যাওয়ার সুযোগে একইভাবে ভাবে স্হানীয় কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী গভীর রাতে উক্ত জায়গা জবরদখল এর চেষ্টা করলে গত ২১ আগষ্ট এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় জসিম উদ্দিন (৪০) ও মো: রুবেল (৩৫) নামে দুইজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন জামাল উদ্দিন (৫৫)।
থানায় দেওয়া অভিযোগের এর পর থানা থেকে অভিযুক্তদের কাগজ পত্র নিয়ে উভয় পক্ষকে বসার জন্য বলা হয়,ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য চকরিয়া পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও সাবেক পৌরসভা যুবদলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ফোরকান জানান চকরিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কোচপাড়া এলাকায় তাদের দাদা মরহুম আলি মিঞার সূত্রে পাওয়া ও বাবা নুরুল হক হাসু মিঞার ওয়ারিশি মালিকানাধীন জমি রয়েছে।পিতা হাসু মিঞা, জামাল উদ্দিন ও আহমেদ রেজা গং তিন রুমের আলাদা আলাদা দোকান ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন,সেখানে তাদের স্থাপনা রয়েছে বলে জানান তিনি।কিন্তু অভিযুক্তরা লোভের বশবর্তী হয়ে স্হানীয় প্রভাব খাটিয়ে উক্ত জায়গা অবৈধভাবে দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উটেছে।
২৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন ও মো. রুবেলসহ তাদের ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে শহিদুল ইসলাম ফোরকান এর ওয়ারিশি মালিকানাধীন জমিতে প্রবেশ করে দোকানঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে ফোরকানের চাচা মরহুম আলি মিঞার দ্বিতীয় পুত্র জামাল উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের বাধা দেন।এ সময় অভিযুক্তরা জমিটি দখল করার উদ্দেশ্যে জামাল উদ্দিন কে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দেন এবং উক্ত জায়গা ভরাটের জন্য বালু দিতে থাকে,পরে জামাল উদ্দিন এর আত্মীয় স্বজন ও শহিদুল ইসলাম ফোরকান সহ জায়গায় উপস্থিত হলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকে ধারালো অস্ত্র হাতে হামলার চেষ্টা করে, সন্ত্রাসীদের একাধিকবার হামলার চেষ্টার পরেও শহিদুল ইসলাম ফোরকান তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে,এবং তাদের জায়গা থেকে থাকলে কাগজ পত্র নিয়ে বসার অনুরোধ জানাতে থাকেন, উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য বুকে টেনে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে উভয় পক্ষকে চলে যেতে সাহায্য করেন।কিন্তু সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের উপর বারবার চড়াও হয়।
অভিযোগকারীর দাবি, অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার জমি দখলের উদ্দেশ্যে দোকানঘর নির্মাণের চেষ্টা করেছেন। ভবিষ্যতে তারা আবারও জমিতে প্রবেশ করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যেতে পারেন এবং এতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে অভিযোগের উত্থাপিত বিষয়গুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে চাইলে তারা বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন ও মো. রুবেল কোচপাড়া এখলাছ মিয়ার পুত্র, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জমির মালিকানা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।




