বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় দূতাবাসের অর্থনৈতিক কর্মকর্তা জোসেফ বসকিও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পাশাপাশি অগ্রাধিকারভিত্তিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নির্ধারণেও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।
আলোচনায় বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, সরকার টু সরকার সহযোগিতা জোরদার এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র সফরকে সামনে রেখে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মতবিনিময় হয়।
এ ছাড়া বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন উভয় পক্ষ।
বৈঠকে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে দ্রুত পরবর্তী বৈঠকের আয়োজনের আহ্বান জানান, যাতে সহযোগিতার বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করে বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো যায়। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এরিক গিলান ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য জ্বালানিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।


