সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে। মঙ্গল বার বিকাল ৫ ঘটিকায় উপজেলা বিশ্বরোর্ড মোড়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রামের মো: চান মিয়া, পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠন করেন ভুক্তভোগীর ছেলে সুরে আলম।
বিদ্যুৎ হিসাব নং ২৬৩৪-৪০০৫, আমার পিতার বাধ্যক জনিক কারণে বিদ্যুৎ অফিস সহ সকল কার্যকর্ম আমি এবং আমার ভাইগণ করে থাকে। কিন্তু গত আনুমানিক ১৯/০১/২০২৫ ইং তারিখে হঠাৎ করে আমার বিদ্যুৎ সংযোগ ট্রান্সপরমার সহ সকল মালামাল স্পট থেকে উদাও হয়ে যাইতে দেখে আমি খুব বিভ্রান্তিকর অবস্থায় পরে যাই। কি করব বা কি করতে হবে তা বুঝতে না পের থানায় জিডি করতে গেলে কতৃপক্ষ আমকে বলেন, আপনি আগে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসে খোঁজ নেওয়ার পর থানায় আসেন। আমি উনাদের কথা মত বিদ্যুৎ অফিসে আসি। জনাব হাফিজুর রহমান কাছে যাই, উনি আমাদের ধর্মপাশা সাবজোনাল প্রধান, আমার পিতার বিদ্যুৎ সংযোগের বিলের কাগজ চাইলে আমি উনকে কাগজ দেখনোর পর উনি বলেন আপনার অবৈধ সংযোগ হওয়ায়। আপনার বিদ্যুৎ সংযোগ টি বিছন্ন করা হয়েছে। মালামাল গুলা আমার অফিসে আছে বলে জানান। আমার প্রশ্ন হল যেহেতু আমার এবং আমার ট্রান্সপরমার সহ সকল মালমাল আমার হেফাজতে থাকবে। এমনকি চুরি হইলে আমার দায়বার নিতে হবে, তবে কেন হাফিজুর রহমান সাহেব আমার অবর্তমনে মালামাল নিয়ে আসেন, তাও আমকে না জানিয়ে, এ সকল বিষয় বাদ দিলাম পরবীর্তে পুর্ণরায় আমি সংযোগ এর জন্য আবেদন করতে চাইলে। বিভন্ন কারণ দেখিয়ে, বিদ্যুৎ সংযোগটি দেয়নি। উনি উল্লেখ করেন আমার জমির দাও নং ঠিক নেই। তাও আমার হাস্যকর মনে হল, কেননা আজকে সকালে এস দেখি অদ্য ২৭/০১/২০২৬ ইং তারিখ বিদ্যুৎত অফিসের সামনে অপরিচিত এক ব্যক্তি খুব জোরে শুধু চিৎকার করছে, এই বলে আমার জমির উপর অন্যজন বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করে তাও আবার বিএডিসির অনুমোদন ব্যতীত যেখনে ১৪৪ ধারা জারি করা আছে। উনার নাম ঠিকানা জানতে চাইলে সকল ডকুমেন্ট আমাকে দেখায় এবং ফটো কপি দেন। সেগুলা আপনাদের কে দেখাব।
উল্লখ্য বিষয় গুলো হচ্ছে কি ভাবে- অর্থে নাকি স্বার্থে? এগুলো দেখার কি নেই? গণপ্রজান্ত্রতী বাংলাদেশ সরকার ও প্রশাসনের কছে। আমার ও সাধারণ কৃষকদের আকুল আবেদন এই যে এই ধরণের দূনীর্তি বাজদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি। তারি সাথে সাথে বাংলার সাধারণ কৃষক কেউই যেন আমার মত হয়রানি ও হেন্সতার স্বীকার না হয়। পানির জন্য ১ হাজার কাটা জমি সেচদানের জন্য অপেক্ষা থাকতে হবে সাধারণ জনগণের। এতে ১শতাধিক কৃষক বিপাকে রয়েছেন। মেধা নয় কোটায় চাকরি হয় এজন্য এমন হয়। এব্যাপারে ধর্মপাশা সাব জোনাল অফিসের এজিএম হাফিজুর রহমান, সত্যতা স্বীকার করে বলেন যে,
তিন মাসে যদি বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকে তাহলে বিদ্যুৎতের মালামাল নিয়ে আসা হয়েছে।




