
তিনি বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার সুপরিকল্পিতভাবে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। কোটা প্রথার অপব্যবহারের মাধ্যমে দেশের মেধা ও যোগ্যতাকে ধূলিসাৎ করার গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। কিন্তু এ দেশের জাগ্রত ছাত্র-জনতা সেই চক্রান্ত মেনে নেয়নি। তাদের তীব্র গণরোষ ও আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত স্বৈরাচারী শাসক দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ছাত্র-জনতার এই রক্তক্ষয়ী বিপ্লব আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক সুযোগ এনে দিয়েছে। সেই ধ্বংসাত্মক ও ভঙ্গুর শিক্ষা ব্যবস্থাকে আবার পুনরুজ্জীবিত করতে বর্তমান সরকার রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে। মেধাভিত্তিক ও আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য।”
১৩অক্টোবর মঙ্গলবার টার্মিনালে দিনাজপুরের হলি ল্যান্ড কলেজের ক্যাম্পাস ২এ অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে জানান, শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেটে এবার রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং মেধা বিকাশের পথ সুগম করা হবে। কোনো বৈষম্য বা দলীয়করণ নয়—যোগ্যতা ও মেধাই হবে আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার মূল চাবিকাঠি।
তিনি দেশের সচেতন নাগরিক, শিক্ষক ও ছাত্রসমাজকে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও সার্বিক উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য ছিল— “Let Us Make Our Future Now”।




