২৫ শে জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার দুপুর ১২ টার সময় মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও পাঁচ দফা দাবিতেএক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর ২ জন সাংবাদিকের নামে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।মানববন্ধনে বক্তারা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তারা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়। মানব বন্ধনে মাগুরা রিপোর্টার ইউনিটির সভাপতি মো. ইউনুস আলী বলেন,“সাংবাদিকরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কলম ধরেছে বলেই আজ মামলার মুখে পড়ছে। আমরা প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। তা না হলে আমরা রাজপথে যেতে বাধ্য হব।”বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম, মাগুরা জেলা শাখার সভাপতি আকরাম হোসেন ইকরাম বলেন,“এই মানববন্ধন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়, এটি সাংবাদিকতার অধিকার রক্ষার আন্দোলন। আমরা পাঁচ দফা দাবি জানাচ্ছি। এর মধ্যে রয়েছে—. সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার. অভিযুক্ত প্রকল্পে দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের নিরপেক্ষ তদন্ত. অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা,গণমাধ্যমকে ভয় দেখানোর সংস্কৃতি বন্ধ করা।”বাংলাদেশের আলো পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এস এম শিমুল রানা বলেন,আজ একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, কাল এটি সবার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। আমরা চাই, প্রকল্পের অনিয়ম তদন্ত হোক এবং পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়ন হোক।”মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন,“সাংবাদিকের কাজ নিউজ তৈরি করা। অভিযোগের সত্যতা যাচাই হবে তদন্তের মাধ্যমে, মামলা দিয়ে নয়। পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এই সংকটের সমাধান সম্ভব।”মাগুরা জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক বলেন,“পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে যদি সাংবাদিকদের মামলার মুখে যদি পড়তে হয়, তাহলে স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিপন্ন হবে। আমরা সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি জানাচ্ছি এবং ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিচ্ছি।”মানববন্ধন শেষে বক্তারা পুনরায় জানান, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনিয়মের তদন্তে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।




