মুখে আওরায় সুনীতির বাণী , বাস্তবে সেথায় দুর্নীতি তাই নীতিবাক্য এখন শুধুই সাইনবোর্ড মাত্র

মুখে আওরায় সুনীতির বাণী , বাস্তবে সেখানে দুর্নীতি।  তাই সুনীতি এখন শুধুই সাইনবোর্ড মাত্র। বগুড়া জেলার ডি. সি, এস. পি, ধুনট      উপজেলার ইউ. এন. ও পরিষদ ও ধুনট থানার বাস্তব ঘটনা।
ঘটনার বিবরণ:-প্রতিটা থানায় বড় ও মোটা অক্ষরে লেখা থাকে “সেবাই পুলিশের ধর্ম”আবার লেখা থাকে “অপরাধ সম্পর্কে তথ্য দিন, পুলিশের সেবা নিন” বর্তমানে এই লেখাগুলি জাস্ট ফর্মালিটি মাত্র, বাস্তবে এই সমস্ত লেখা গুলির কোন কার্যকারীতা নেই।   আমি বগুড়া জেলার ধুনট থানার ঘটনার কথা বলছি। থানায় ২৫ (পঁচিশ)টা অভিযোগ দিয়ে ভিক্টিম যদি একটা অভিযোগেরও প্রতিকার না পায়, শুধু তাই নয় অভিযোগের প্রতিকার চায়তে গেলে, ভিক্টিমকে মারধোর করা হয়,  অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সেবা না পেয়ে তিরিস্কৃত হন, তখন ঐই সমস্ত নীতি বাক্য লেখা গুলো আপনি কোন নজরে দেখবেন। আর ঐ সমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ড কাজ যারা করে তাদের আপনি কি বলবেন। বর্তমানে পুলিশের কর্মকান্ডের উপর ভিত্তি করে ঐ লেখিগুলি লেখা উচিৎ “পীড়নই পুলিশের ধর্ম” “অপরাধ সম্পর্কে তথ্য দিন, পুলিশকে ঘুষ নেওয়ার সুযোগ করে দিন”। আবার  ইউ. এন. ও পরিষদে লেখা থাকে “আমি দুর্নীতি করিনা, দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দেই না, আমি এবং আমার অফিস দুর্নীতিমুক্ত”। কিন্তু বাস্তব কথা হলো এই লেখাগুলোর সাথে ইউ. এন. ওর কাজের সাথে কি কোন মিল খোঁজে পাওয়া যায় , মোটেই না।   যেখানে ৪(চার)টা অভিযোগ দেওয়ার পরে একটা অভিযোগেরও প্রতিকার পাওয়া না, অভিযোগের প্রতিকার চাইতে গেলে, ভিক্টিমকে অফিসে আটকে রেখে হেস্তা নেস্তা করে। তখন ঐ সমস্ত লেখাগুলি আপনি কোন নজরে দেখবেন। আমি ধুনট উপজলা ইউ. এন. ও পরিষদের কথা বলছি।  সেক্ষেত্রে লেখা হবে। “আমি দুর্নীতি করি, দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দেই, আমি এবং আমার অফিস দুর্নীতিযুক্ত”। অর্থাৎ জনাব আরিফ উল্লাহ নিজামী একজন দু্র্নীতিবাজ। ইউ. পি পরিষদে ঠিক তদ্রুপ লেখা থাকে  “আমি দুর্নীতি করিনা, দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দেই না, আমি এবং আমার অফিস দুর্নীতিমুক্ত”। অথচ ইউ. পি পরিষদে অভিযোগ দিলে ভিক্টিমকে বলা হয় পাগল, এবং বলে এই পাগলের কি বিচার করবো, আমি ধুনট উপজেলার ৩নং চিকাশী ইউনিয়নের কথা বলছি। চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম জুয়েল ও মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান মিনতি খাতুন ভিক্টিমকে পাগল বলে আখ্যায়িত করেছেন। আসল কথা  হলো তারা অপরাধীদের থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে সঠিক বিচার না করার কৌশল মাত্র। মানুষকে সেবা করার কথা বলে ভোট নিয়ে নির্বাচিত হয়ে মানুষের সাথে করে ফাজলামি। আসলে এরা হলো প্রতারক। থানার ওসির, ইউ. এন. ও,  ইউ. পি পরিষদের এই সমস্ত দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে ডি. সি ও এস. পিকে জানানোর পরে যদি কোন প্রতিকার না পান, তখন সেই বিষয়টি আপনি কোন নজরে দেখবেন। প্রিয় পাঠক ভাই ও বোনেরা আপনারাই ভেবে দেখুন।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

কাউখালী বাজারে পরিচ্ছন্নতার বার্তা, ব্যবসায়ীদের সামনে প্রশাসনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

দোকানের সামনে ময়লার স্তূপ, যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা আর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ—বাজারকেন্দ্রিক