ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের প্রধান ছাত্রাবাস এবং ইন্টার্নি ছাত্রদের হলের সামনে স্থাপিত ময়লার ডাস্টবিন দ্রুত অন্য উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তরের জোর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক হলের ঠিক সামনে ডাস্টবিন থাকায় দুর্গন্ধ, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ময়লা-আবর্জনা ডাস্টবিনে ফেলা হয়। সময়মতো সেগুলো অপসারণ না হওয়ায় দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে গরম ও বর্ষার সময়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অসহনীয় দুর্গন্ধের কারণে ছাত্রাবাসের কক্ষগুলোতে স্বাভাবিকভাবে অবস্থান করা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক শিক্ষার্থীর দাবি, রাতে জানালা খুলে রাখা যায় না এবং দুর্গন্ধের কারণে স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতেও সমস্যা হয়। পাশাপাশি পড়াশোনার পরিবেশও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
শুধু শিক্ষার্থীরাই নন, কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগী, রোগীর স্বজন এবং দর্শনার্থীরাও এই দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সামনে এমন পরিবেশ জনস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার দৃষ্টিকোণ থেকেও উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন অনেকেই।
শিক্ষার্থীদের মতে, হাসপাতাল ও ছাত্রাবাসের সামনে ময়লার ডাস্টবিন রাখা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। তারা দ্রুত ডাস্টবিনটি এমন একটি উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন, যেখানে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হবে না এবং নিয়মিত ময়লা অপসারণের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের আশা, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অতি দ্রুত ডাস্টবিনটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা একটি সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও স্বাভাবিক পরিবেশে বসবাস ও পড়াশোনা করতে পারেন এবং হাসপাতালের রোগী ও সাধারণ মানুষও স্বস্তি পান।




