
রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হৃদয়বিদারক এক তথ্য সামনে এসেছে। নিহত আগামী চক্রবর্তীর নামে একটি পার্সেল ডেলিভারির জন্য ছিল কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের কাছে। কিন্তু নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছেও পার্সেলটি গ্রাহকের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে জানা যায়, আগামীসহ তার পরিবারের চার সদস্যই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
ঘটনাটি জানার পর কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী চক্রবর্তীর জন্য থাকা পার্সেলটি ডেলিভারি করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে নিহত পরিবারের সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় শনিবার রাতে একটি বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কয়েক দিন যোগাযোগ না থাকায় এবং বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে।
চারজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এর মধ্যেই আগামী চক্রবর্তীর জন্য আসা পার্সেলটি তার কাছে পৌঁছাতে না পারার ঘটনাটি নতুন করে মানুষের আবেগকে নাড়া দিয়েছে।
ঘটনাটি তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এমন যেন আর কারও পরিবারের সঙ্গে না ঘটে’—এই শোকবার্তায় নিহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি।




