
দিনাজপুরে যানবাহন চলাচলের বৈধতা যাচাই বাছাই ও যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত চেকপোস্ট চলাকালীন, রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশিকালে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার ও চার রাউন্ড তাজা গুলিসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ট্রাফিক পুলিশ।
২২সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শহরের সদর হাসপাতাল মোড়ে নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রমের সময় তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন দিনাজপুর পৌরসভার দপ্তরীপাড়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে হারুন (৫৫) এবং ষষ্ঠিতলা এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মোঃ রতন(২০)।হারুন পেশায় পিকআপ চালক এবং হারুন পিকআপ গ্যারেজে কর্মরত।
ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লিলির মোড় থেকে একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলে দুই ব্যক্তি বালুবাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। হাসপাতাল মোড়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট রুপক কুমার ঝা তাদের থামার সংকেত দিলে তারা মোটরসাইকেল থামান। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, তল্লাশির সময় হারুনের কাছে থাকা একটি লাল প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে দেশীয় তৈরি একটি পাইপগান (ওয়ান শুটার) এবং চারটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র ও গুলির বৈধ কোনো কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেননি। অভিযানে ট্রাফিক কনস্টেবল শাহনেওয়াজ ও মেহেদী হাসান অংশ নেন। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) অমৃত সরকারের উপস্থিতিতে তল্লাশি শেষে আটক দুজনকে অস্ত্র ও গুলিসহ কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
ট্রাফিক বিভাগের টিআই (প্রশাসন) রাহিনুর ইসলাম খান বলেন, রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলটি থামিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের সময় আরোহীদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক অ্যান্ড এস্টেট) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা পিপিএমের স্যারের নির্দেশনায় চলমান চেকপোস্ট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাসপাতাল মোড়ে অভিযান পরিচালনা করাকালীন আটক ঐ দুই ব্যক্তির কাছ থেকে একটি পাইপগান ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেন, ‘হারুনের বিরুদ্ধে দিনাজপুর কোতয়ালি থানায় ডাকাতির মামলা আছে।’আগামীকাল আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।





