জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের কথা থাকলেও গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ৫২ নম্বর সিতাইকুন্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এর কোনো দৃশ্যমান আয়োজন দেখা যায়নি।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় সরেজমিনে বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, কর্মরত ১০ জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র দুইজন উপস্থিত রয়েছেন। বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল না। এ সময় বিদ্যালয় মাঠের পাশে কয়েকজন শিশু-কিশোরকে ফুটবল খেলতে দেখা যায়।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জোনায়েদ, ইসমাইল এবং চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ মোল্লা জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে কোনো অনুষ্ঠানের বিষয়ে তাদের জানানো হয়নি। আগের দিনও নিয়মিত ক্লাস হয়েছে, কিন্তু শিক্ষকরা এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেননি। তাই তারা বিদ্যালয়ে আসেনি। তাদের দাবি, সাংবাদিকরা বিদ্যালয়ে আসার পর প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম খেলার মাঠ থেকে তাদের ডেকে এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে বলার নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আমরা সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিত থাকতে বলেছিলাম। তবে কেন আটজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হয়নি, তা আমার জানা নেই।”
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন ভক্তের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।




