চকরিয়ায় জিসান হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তার, হত্যায় ব্যবহৃত নোহা জব্দ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় যুবদল নেতা মো. জিসান (২৬) অপহরণ ও হত্যা মামলায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সিলভার রঙের নোহা গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) চকরিয়া থানা পুলিশ জানায়, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমানের দিকনির্দেশনায়, চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল আজিজের তত্ত্বাবধানে এবং চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের মাইজ কাকারা এলাকা থেকে সাদা/সিলভার রঙের একটি নোহা গাড়িতে করে জিসানকে অপহরণ করা হয়। পরে খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেন ওরফে কাল্লু ড্রাইভারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে জিসাত মিয়া ওরফে শওকত ড্রাইভারকে (২৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সিলভার রঙের নোহা গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। গাড়িটির নিবন্ধন নম্বর চট্টমেট্রো-চ-১১-৫৯৬৯।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও ‘কিলিং মিশনে’ অংশগ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা এবং অন্য জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত জিসানের বড় ভাই কাইছার হামিদ বাদী হয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর চকরিয়া থানায় মামলা করেন। মামলাটির এফআইআর নম্বর-৪৪। এতে দণ্ডবিধির ৩৪১/৩৬৪/৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, জিসান হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ষষ্ঠ কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত: শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ প্রতিহত করার আহ্বান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আজ বুধবার ( ৭ অক্টোবর