দিনাজপুরে যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর উদ্যোগে ‘ক্লিন নোট ম্যানেজমেন্ট এবং ময়লা, ছেঁড়া-ফাটা ও ত্রুটিযুক্ত নোট বিনিময়’ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের নোট যাচাই-বাছাই, সংরক্ষণ এবং ত্রুটিযুক্ত নোট বিনিময়ের সঠিক নিয়ম-কানুন সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে দিনাজপুরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক রংপুর অফিসের পরিচালক মো. দেওয়ান সিরাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক রংপুর অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. হাসান রুহি ইসলাম এবং যুগ্ম পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. দেওয়ান সিরাজ বলেন, কর্মশালার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকিং সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে। তিনি অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে গিয়ে নোট ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করলে গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ ফজলুল হক বলেন, “টাকা শুধু কাগজের নোট নয়, এটি মানুষের শ্রম, উপার্জন, সঞ্চয় ও স্বপ্নের প্রতীক। তাই নোটের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহকের আস্থা রক্ষা ব্যাংক কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।” তিনি নোট যাচাই-বাছাই, সংরক্ষণ ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় তিনি ক্যাশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে “Right Note, Right Handling, Right Process” নীতিকে ক্যাশ অপারেশনের মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানান।
কর্মশালায় ময়লা, ছেঁড়া-ফাটা ও ত্রুটিযুক্ত নোট শনাক্তকরণ, নোট সংরক্ষণের আধুনিক পদ্ধতি, জাল নোট সনাক্তকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত নোট বিনিময়ের নিয়মাবলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে যমুনা ব্যাংকের রংপুর বিভাগের ১২টি শাখা ও ১৭টি উপশাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকরা জানান, ব্যাংকিং কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহকদের আরও উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রাজশাহী জোনের জোনাল হেড মুহাম্মদ ফজলুল হক।




