স্রেফ উড়িয়ে দেওয়া যাকে বলে—৫০ ওভারের ম্যাচ ১৫.১ ওভারে জিতে যাওয়া; সেটাও পাকিস্তানের বিপক্ষে। নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের জন্য স্মরণীয় বটে। বোলারদের পর ব্যাটারদের দায়িত্বশীলতায় ৮ উইকেটের জয় পায় স্বাগতিকরা। মিরপুরে নাহিদ হাসানের পেস তোপের পর তানজিদের ফিফটি মোড়ানো ইনিংসে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০-তে এগিয়ে গেল মেহেদী হাসান মিরাজের দল। জয়ের পর ম্যাচসেরা নাহিদ জানালেন, পরিকল্পনায় সফল হয়েছেন তারা।
বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতার লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের। শুরুটাও হয়েছে দাপুটে। প্রতিপক্ষকে ১১৪ রানে আটকে দিয়ে সহজ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। ৭ ওভার বোলিং করে ক্যারিয়ারসেরা পাঁচ উইকেট এনে দেন নাহিদ। ম্যাচের পর জানালেন পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা এগিয়ে নেওয়ার কথা, ‘আলহামদুলিল্লাহ, অনুভূতিটা স্বাভাবিকই। তবে চেষ্টা থাকবে এই পারফরম্যান্স যেন দীর্ঘ সময় ধরে ধরে রাখতে পারি।’
মিরপুরে স্বভাবতই স্পিন সহায়ক উইকেটের দেখা মেলে। কিন্তু এবার হলো উল্টো! পেসার হিসেবে কিছুটা চমক ছিল কি নাহিদের জন্যও! যদিও তিনি বলছেন, ‘এটা খুব একটা অবাক করার মতো ছিল না। আগে বল করা সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলে বুঝেছিলাম যে নির্দিষ্ট জায়গায় লাইন-লেন্থ ঠিক রাখলে ব্যাটসম্যানদের জন্য খেলাটা কঠিন হবে। মাঠে সেই পরিকল্পনাই বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি।’ নাহিদ গতির জন্য অন্য সবার চেয়ে আলাদা। ঘণ্টায় ১৪০-১৪৫ গতিতে বোলিং করার সামর্থ্য তার। তবে এবার স্কিলেও মনোযোগী বলে জানান এ পেসার, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুধু গতি নয়, স্কিলই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই তিনি গতির চেয়ে দক্ষতা বাড়ানোর দিকেই বেশি গুরুত্ব দেন।’




