রাজনীতির নামে চাঁদাবাজি

বর্তমান সময় এ জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে রাজনৈতিক চাঁদাবাজি। অনেক স্থানীয় সরকার দলীয় নেতা রাজনৈতিক চাঁদাবাজি কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। এই পেশাকে আবার ডালাওভাবে সাজিয়ে দিচ্ছেন প্রশাসন এর কিছু অসাদু লোক। আসুন পাঠকবৃন্দ আমরা যেনে নিই  এই পেশার কলাকওশল। স্থানীয় পর্যায়ে নেতাজি তার সঙ্গীদের  নিয়ে প্রথমে তৈরী করেন বিভিন্ন ব্যাক্তির নামের তালিকা। এই তালিকাতে স্থান পায় সফল ব্যাবসায়ী, প্রবাসী সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। এরপর উক্ত নেতার সঙ্গীদের নিয়ে বিভিন্ন কওশলে এই সব ব্যাক্তিকে দেয়া হয় রাজনৈতিক তকমা। এবার আসে প্রশাসন এর পালা। স্থানীয় থানায় করা হয় মামলা আর আটক করা হয় উক্ত ব্যাক্তি কে। এবার করা হয় পরিবার এর সাথে যোগাযোগ ও মামলা নিয়ে আলোচনা, দাবি করা হয় মোটা অংকের টাকা। টাকা দিলে মামলা থেকে ও জেল থেকে মুক্তি মিলে। এই পক্রিয়াতে যদি গায়েল করা না যায় তবে শুরু হয় দ্বিতীয় পক্রিয়া। দ্বিতীয় পক্রিয়া তে অংশ নেন দলীয় ক্যাডার। রাতের আঁধারে উঠিয়ে নেয়া হয় তালিকাভুক্ত ব্যাক্তি কে। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেয়া হয় মুক্তি সাথে চলে অমানুসিক নির্যাতন। তবে কিছু কিছু অঞ্চলে এই পেশার সাথে যুক্ত আছেন আওয়ামীলীগ এর স্থানীয় বড়ো পর্যায়ের নেতারা সরকার দলের নেতজীর সাথে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক  ভুক্তভোগী ব্যাক্তি তথ্য দিয়েছেন এই পেশার লোকজন আছেন নোয়াখালী সদর উপজেলার ১নং চরমোটুয়া, ২০নং আন্ডারচর, ৮নং কালাদরাপ, এওজবালিয়া, ২নং দাদপুর ইউনিয়ন এ তৎপর। বর্তমান এ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ গভীর উদ্দেক উৎকণ্ঠা নিয়ে তাকিয়ে আছেন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ মোহাম্মদ শাজাহান এর  দিকে। এখনই এই পেশার লাগাম টেনে না ধরলে অচিরেই ক্ষত বিক্ষত হবে সমাজ।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

মেধা-প্রতিভার স্বীকৃতি পেল কাউখালীর ৫৭ শিক্ষার্থী! কাউখালীতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার ও সনদ বিতরণ

শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে পিরোজপুরের কাউখালীতে