শরীয়তপুর–২ সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউলের নির্বাচনী প্রচারণায় ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে প্রার্থীর নিজ বাড়ি ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার চরভাগা এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডাঃ মাহমুদ হোসেন বকাউলের বোন মোর্শেদা হক পাপিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীর বোন ও জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী মোর্শেদা হক পাপিয়া অভিযোগ করেন, নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে সখিপুর থানার চরকুমারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর মকবুল হোসেন মোল্লা কান্দি এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় সখিপুর থানা ছাত্রদল নেতা মানিক মোল্লা, অশ্রু মোল্লার স্ত্রী হ্যাপি সহ কয়েকজন অনুসারীদের নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রচারণায় বাঁধা দেন। তারা বিএনপির দলীয় স্লোগান দিয়ে পোস্টার ছিনিয়ে নিয়ে হুমকিমূলক আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে বলে অভিযোগ করা হয়।
মোর্শেদা হক পাপিয়া আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রচারণা ব্যাহত করা হচ্ছে, যা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনী পরিবেশের পরিপন্থী। তিনি এসব কর্মকাণ্ডকে গণতন্ত্রবিরোধী আখ্যা দিয়ে বলেন, প্রশাসনের নীরবতার সুযোগ নিয়ে বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্বিঘ্ন প্রচারণার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মানিক মোল্লার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ প্রসঙ্গে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুল হক বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার বিষয়টি টেলিফোনে জানতে পেরেছি। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




