
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির রূপান্তর, পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি এবং কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নাগেশ্বরী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রামের আয়োজনে এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ (পার্টনার) কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ আবু ফাত্তাহ মো. রওশন কবির, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, কুড়িগ্রাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষিবিদ অশোক কুমার রায়, সিনিয়র মনিটরিং অফিসার, পার্টনার প্রকল্প, রংপুর অঞ্চল। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নাগেশ্বরী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার হোসেন। এতে সভাপতিত্ব করেন নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক গোলাম রসুল রাজা, সদস্যসচিব আলহাজ মোখলেছুর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. আবদুল মান্নান এবং নাগেশ্বরী পৌর বিএনপির সদস্যসচিব মো. আজিজুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
কৃষিপ্রযুক্তির সম্প্রসারণ, কৃষকের দক্ষতা বৃদ্ধি, পুষ্টিসম্মত খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষিকে লাভজনক পেশায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে পার্টনার কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন করা, কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সহায়তা এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা এবং উৎপাদনব্যবস্থাকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পাশাপাশি কৃষক, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা কৃষক এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি কৃষি উন্নয়নে মাঠপর্যায়ের অংশীজনদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তুলে ধরে।
আয়োজকেরা আশা করছেন, পার্টনার কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষির আধুনিকায়ন, পুষ্টিনিরাপত্তা, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং কৃষকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।





