
বগুড়ায় প্রশাসন আর অপরাধী যেন, একই সূত্রে গাথা। সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্যই প্রশাসন নামক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আইন তৈরী করা হয়েছে। অপরাধীরা অপরাধ করলে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী প্রশাসন তাকে শাস্তি প্রদান করবে এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু যদি প্রশাসন অপরাধীদের অপরাধ দমন না করে, সমর্থন ও সহযোগিতা করে তাহলে শান্তি শৃঙ্খলার ভারসাম্য ঠিক থাকবে, মোটেও না। ঠিক একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বগুড়ার প্রশাসনে।
বগুড়া জেলা ধুনট উপজেলার অধীন চিকাশী ইউনিয়নের সোনারগাঁ দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত্যু শাজাহান আলীর পুত্র আনোয়ার হোসেন তার ভাইয়ের অকাল মৃত্যু এবং তার মা’য়ের অকস্মাৎ মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন ও খুনিদের বিচার চেয়ে ধুনট থানা ইউ. এন. ও অফিস এবং বগুড়ায় ডি. সি ও এস. পি অফিস বরাবরে অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার পাইনি। প্রতিকার না পাওয়ার দরুন আনোয়ার হোসেন ও তার ছয় বছরের মেয়ে মার্জিয়া খাতুন আজ বিপদের সম্মুখীন। মার্জিয়া খাতুন প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হচ্ছে। প্রতিটা মুহূর্ত বিপদ তাদের তাড়িয়ে বেরাচ্ছে। প্রশাসন এখানে অপরাধীদের শাস্তি না দিয়ে তাদের অপরাধ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অপরাধীরা প্রশাসনের সহযোগিতায় বার বার অপরাধ করার সুযোগ পায়। অপরাধীরা অপরাধের পর অপরাধ করতে থাকে। ফলে সমাজের কাঠামো হয়ে পড়ে বিকলাঙ্গ। সমাজে বিশৃংখলা লেগেই থাকে। আইন অমান্য করলে অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করা হয় না।
আইনের চোখে অপরাধী যত প্রভাবশালী কিংবা ক্ষমতাশালী হোকনা কেন, তবুও সে অপরাধী। অতএব তার একটা মাত্র পরিচয় সে অপরাধী। কিন্তু বগুড়ার প্রশাসনে এই নিয়মটি পালন করা হয়না। এখানে প্রভাবশালী কিংবা ক্ষমতাশালীরা অপরাধ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হয় আর গরীব আর অসহায় লোকেরা অপরাধ করলে তাকে পাকড়াও করা হয়। যা বৈষম্য, যে বৈষম্য দূর করার জন্য ছাত্র জনতা মিলে টানা ৩৬ দিন আন্দোলন করে ১৪০০ লোকের প্রাণের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ গঠিত হয়েছে, সেই বৈষম্য আজো বিরাজ করছে বগুড়ার প্রশাসনে।
যার জলন্ত দৃষ্টান্ত এখানে উল্লেখ করছি (১) শাহ আলী পিতা মৃত্যু ইচাহাক আলী,শেরপুর জগন্নাথ পাড়ার সেবা ক্লিনিকের স্বত্তাধিকারী(২) হযরত আলী সানোয়ার, পিতা মৃত্যু ইচাহাক আলী, সোনারগাঁ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, গ্রাম -সোনার গাঁ, ধুনটবগুড়াগণ প্রভাবশালী বলে এরা যতবড় অপরাধী করুকনা কেন, প্রশাসন এদের অপরাধী বলে গন্য করেনা। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আনোয়ার ও তার মেয়ে বাড়ি ছেরে দিক-বিদিক পালিয়ে বেড়িচ্ছে। এদের অত্যাচারে অনেক পরিবার বিলীন হয়ে গেছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এদের এই দৌরাত্ব জুলাই যোদ্ধাদের নজরে আনা হোক। আনোয়ার হোসেনে তার পরিবারকে বাচাঁতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে।




